বল দখলে আধিপত্য, আক্রমণে ঝড় তোলা। তবুও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ফ্রান্স। প্যারাগুয়ের রক্ষণভাঙা যেন অসম্ভবই হয়ে ওঠছিল গতআসরের রানার্সআপ দলটির সামনে। ফরাসিদের আক্রমণ রুখতে রুখতে একটা সময় ভুল করে বসে লাতিন আমেরিকার দেশটি। ডি বক্সে ফাউল করে ফ্রান্সকে উপহার দেয় পেনাল্টি। স্পট কিকে কাইলিয়ান এমবাপের দুর্দান্ত গোল। ১-০ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটে ফ্রান্স।
কোয়ার্টারে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ মরক্কো। বাংলাদেশ সময় ৯ জুলাই দিবাগত রাত ২টায় বোস্টনের হিউস্টন স্টেডিয়ামে শেষ আটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও মরক্কো।
ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফিনান্সিয়াল ফিল্ডে ম্যাচে একচ্ছত্র দাপট ছিল ফ্রান্সের। ৮০ শতাংশ বলের দখল ছিল ফরাসিদের কাছে। তবে তাতেও খুব একটা সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ফ্রান্স। বক্সের ভেতর ফরাসি আক্রমণভাগকে ভালোভাবেই আটকে রাখে প্যারাগুয়ে। প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতাতে বিরতিতে যায় দুদল।
দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য দেখায় ফ্রান্স। তবে জালের দেখা পাচ্ছিল না। বদলি না ডিজায়ার দুয়েকে ৬৭ মিনিটে ফাউল করে পেনাল্টি হজম করতে হয় প্যারাগুয়েকে। ড্রিবল করে বক্সে ঢুকে পড়া দুয়েকে সামলাতে গিয়ে ডিবক্সের ভেতরের তাকে ফেলে দেন প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা। ফরাসি খেলোয়াড়রা পেনাল্টির জোরালো দাবি তুললেও রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পরে মনিটর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।
৭০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ফ্রান্সকে লিড এনে দেন কাইলিয়ান এমবাপে। চলতি বিশ্বকাপে ফরাসি তারকার ৭ম গোল এটি। যা যৌথভাবের লিওনেল মেসির সঙ্গে শীর্ষ। সবমিলিয়ে তার ১৮তম বিশ্বকাপ গোল, ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০ গোল নিয়ে শীর্ষে মেসি।
ম্যাচের মূল সময় পেরিয়ে যোগকরা সময়ে দ্বিতীয় গোলের দেখা পেতে পারত ফ্রান্স। এমবাপের নেয়া শট ঠেকিয়ে দেন প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল, ফিরতি গোল পেয়ে ফের শট নিলেও সেটিও প্রতিহত করেন গিল। শেষ অবধি ১-০ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।


