“আমার ভাষা, আমার গর্ব। আমি বীরভূমের আঞ্চলিক ভাষাতেই কথা বলব।” সম্প্রতি তাঁর একটি মন্তব্যকে ঘিরে সোশ্যাল মাধ্যমে তৈরি হওয়া বিতর্কের জবাবে স্পষ্ট বার্তা দিলেন সিউড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সোমবার, বোলপুর সংলগ্ন কংকালীতলায় সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শনে এসে তিনি ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দেন। সম্প্রতি কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত অনিয়ম নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একটি সংবাদ চ্যানেলে তাঁকে বলতে শোনা যায় “কলেজে এবং বিশ্ববিদ্যালয় টাকা তুললে স্যাটা গরম করে দেব।” সেই মন্তব্য নিয়েই বিভিন্ন মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।

এই বিষয়ে আরও খবর

আর বিতর্কের মাঝেই উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমি বীরভূমের ছেলে। নিজের ভাষাতেই কথা বলব। তাতে কারও পছন্দ হোক বা না হোক, বীরভূমের ভাষায় কথা বলা বন্ধ হবে না। আমি যে জেলার মানুষ, সেই জেলার কিছু শব্দ আমার মুখে আসতেই পারে। মানুষের কী বলা উচিত, কী খাওয়া উচিত, কী পরা উচিত তা নির্ধারণ করার অধিকার কারও নেই। তাহলে আমার ভাষা নিয়ে এত আপত্তি কেন?”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমি বীরভূমের ছেলে। নিজের ভাষাতেই কথা বলব। তাতে কারও পছন্দ হোক বা না হোক, বীরভূমের ভাষায় কথা বলা বন্ধ হবে না। আমি যে জেলার মানুষ, সেই জেলার কিছু শব্দ আমার মুখে আসতেই পারে।” 

আঞ্চলিক বীরভূমের ভাষা ব্যবহার করে তিনি বলেন,”সামান্য দুটি শব্দ বলেছি অমনি গুঁতিয়ে দিছেন, খেদিয়ে দিছেন। এ মানব না। আপনাদের কথা ভবিষ্যতেও লড়ব। এখনও লড়ছি। আমি যে জেলার সেই জেলার দুটো একটো কথা মুখ দিয়ে বেরবে।” তিনি আরও বলেন, “আপনারাই বলেন মানুষ কী বলবে, কী করবে, কী খাবে, কী পড়বে সেটুতে কারও কিছুই বলার নাই। তাহলে আমাকে নিয়ে এত জ্বালা কেন। আমি তো নিজের ভাষায় কথা বলছি। আমার ভাষার দাম নাই। আমার ভাষার সম্মান নাই। যাঁরা বলছে, তাঁরা আমাদের ভাষা না বুঝে রাঢ়বঙ্গের মানুষকে অপমান করছেন। তাই দুটো-একটা বীরভূমের ভাষা আমি বলব। আমার মুখ দিয়ে বেরবে। এটাই আমার মাতৃভাষা।”

উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ বারবার সামনে এসেছে। বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে ক্ষোভও ছিল। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়েই ওই মন্তব্য করেছিলেন মন্ত্রী। তবে এদিন তিনি স্পষ্ট করে জানান, তাঁর বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভর্তি-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা দেওয়া। ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার ভাষারও সম্মান রয়েছে। আঞ্চলিক ভাষাকে যারা বুঝতে না পেরে সমালোচনা করছেন, তাঁরা আসলে রাঢ়বঙ্গের সংস্কৃতি ও ভাষাকেই অপমান করছেন।”

এই বিষয়ে আরও খবর

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *