নয়া দিল্লি: তৃণমূলের সাংসদীয় দল ভাঙার ঘটনায় নয়া মোড়। সরকারি সূত্রে খবর, স্পিকার অফিসে জমা পড়েনি কোনও চিঠি। অথচ গতকাল, কাকলী ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছিলেন, কুড়ি জন তৃণমূল সাসদের স্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি স্পিকার অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। এদিকে গতকাল থেকেই মমতা-পন্থী ক্যাম্পের দাবি ছিল, পর্যাপ্ত সংখ্যা জোগাড় করতে পারেনি বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। এ দিকে, বিজেপির এক শীর্ষ নেতার বক্তব্য, বাংলাতে তৃণমূলের কোনও নেতাকে এখন দলে নেওয়া হবে না।

কাকলি ঘোষ দস্তিদার কী বলেছিলেন?

বারাসতের সাংসদ বলেন, “সব কিছুর একটা প্রক্রিয়া আছে। আমি চিফ-হুইপ ছিলাম এবং অধ্যক্ষের কাছে আমার নামই চিফ-হুইপ হিসাবে আছে। ঘরোয়া মিটিংয়ে নিশ্চয়ই উপস্থাপিত হয়েছিল। কিন্তু সেই চিঠি এখানে নেই। রেকর্ডে আমার নামই আছে। আমরা কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারকে একসঙ্গে নিয়ে NDA-র সঙ্গে কাজ করতে চাই।”

সোমবার ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠকের পর স্পিকারকে চিঠি দিয়ে এসেছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার অন্তত তেমনটাই দাবি ছিল তাঁর। ২০ জন সাংসদের সই নিয়ে ওই চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে স্পিকার ওম বিড়লার ঘরে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না তাঁরা। তবে, এনডিএ-তে যোগ দেবেন তাঁরা। অর্থাৎ তৃণমূলের একটি পৃথক ব্লক হিসেবে এনডিএ জোটের অংশ হতে চান তাঁরা। কিন্তু দেখা এখন জানা যাচ্ছে এই চিঠি যায়নি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *