স্টাফ রিপোর্টার: ভারতীয় ক্রিকেট কেন, গোটা বিশ্ব ক্রিকেটের কাছেই তিনি আইডল। ক্রিকেট জীবনে প্রচুর রেকর্ড গড়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি রয়েছে। তবে এসব কিছুই সহজে আসেনি। তার পিছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম আর গভীর অধ্যবসায়।

তিনি শচীন তেন্ডুলকর। এক অনুষ্ঠানে গিয়ে ক্রিকেটারদের সাফল্যের মন্ত্রটা জানিয়ে দিয়ে এলেন। শচীন বলেন, “আমি ক্রিকেট শুরু করি তার কারণ এই খেলাটাকে প্রচণ্ড ভালোবাসতাম। অসম্ভব প্যাশনেট ছিলাম। বলতে পারেন ক্রিকেটের প্রতি পাগল ছিলাম। সব সময় দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। আর নিজেকে সেভাবেই তৈরি করেছিলাম। আমার জীবনে অনেকগুলো অধ্যায় আছে।একটা সময় যখন স্কুল ক্রিকেট খেলতাম, তখন দিনে ১২ ঘণ্টা মাঠে পড়ে থাকতাম। প্র্যাকটিস করতাম, নিজেকে প্রস্তুত করতাম। তারপর একটা সময় গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে টানা ৫৫ দিন ওইভাবেই প্র্যাকটিস করে যেতাম। সেটা করতে গিয়ে অসুস্থও হয়ে পড়েছিলাম। আসল কথা হল আপনার মধ্যে যদি সেই প্যাশন না থাকে, সেই আগুন না থাকে, তাহলে কখনওই সাফল্য আসবে না। উন্নতির জন্য, এগিয়ে যাওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম দরকার, সঠিক পরিকল্পনা দরকার। সেই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত করার জন্য সঠিক গাইডেন্সের দরকার। সঙ্গে অবশ্যই শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে।”

শচীনকে প্রত্যেকটা মুহূর্তে প্রত্যাশার চাপ নিয়ে খেলতে হত। শচীনের কথায়, “মনে রাখতে হবে প্রত্যাশার চাপটা কেন থাকছে। কারণ, কোনও ক্রিকেটার অতীতে ভালো পারফর্ম করেছে বলেই তাঁর উপর প্রত্যাশার চাপ থাকে। আর ক্রিকেটারদের এই চাপ কীভাবে সামলাতে হয়, সেটাও জানতে হবে। দু’ভাবে ব্যাপারটা দেখা যায়। এক, আপনি প্রত্যাশার চাপের জন্য আরও চাপে পড়লেন। দুই, আপনি ভাবলেন যে অতীতে ভালো পারফর্ম করেছেন বলেই এই চাপটা রয়েছে। সেটাই আপনাকে আরও ভালো খেলতে উদ্বুদ্ধ করবে। প্রত্যেকটা ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে একটাই কথা বলব, কারও সঙ্গে লড়াইতে যেও না। কারও সঙ্গের নিজের তুলনা করো না। শুধু মাঠে নেমে নিজের সেরাটা উজাড় করে দাও। নিজে কী করতে পারো, শুধু সেটাই ভাবো”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *