অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছেন ১৫ বছর বয়সী দুই কিশোর।

আজ ২৬ নভেম্বর বুধবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, নোয়া জোনস ও ম্যাসি নেল্যান্ড নামের ওই দুই কিশরের অভিযোগ করেছেন যে নতুন আইন তাদের মতপ্রকাশ ও যোগাযোগের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে মেটা টিকটক এবং ইউটিউবসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে নিশ্চিত করতে হবে যে ১৬ বছরের নিচে কোনো অস্ট্রেলীয় নাগরিক তাদের প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলতে বা ব্যবহার করতে না পারে। সরকার দাবি করছে শিশুদের ক্ষতিকর কনটেন্ট ও অ্যালগরিদম থেকে রক্ষা করতেই এই আইন করা হয়েছে।

তবে কিশোর দুই অভিযোগকারী বলেছেন, তাদের যেন নীরব করে দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি যেন জর্জ অরওয়েলের ১৯৮৪ উপন্যাসের মতো যা আতঙ্কিত করে। তারা প্রকৃত ডিজিটাল প্রজন্ম এবং সচেতন ও শিক্ষিত থাকতে চায়। সরকারের উচিত শিশুদের সুরক্ষা দিয়ে সহায়তা করা, নীরবতা চাপিয়ে দেওয়া নয়।

ডিজিটাল ফ্রিডম প্রোজেক্টের সহায়তায় মামলাটি করা হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শিশু-কিশোরদের তথ্য জ্ঞান অর্জন ও মতবিনিময়ের সুযোগ সীমিত করছে। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী আদিবাসী প্রত্যন্ত অঞ্চলের এবং এলজিবিটিআইকিউ কিশোরদের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

এছাড়া এটি রাজনৈতিক যোগাযোগের অধিকারেও আঘাত বলে দাবি করা হয়েছে। সংগঠনটি বলছে নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে ডিজিটাল লিটারেসি শিক্ষা নিরাপদ মোড এবং বয়স যাচাই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *