বায়ুদূষণের ফলে স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে পারে। বিশেষ করে শিশু এবং বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।তাহলে কী কী উপায় মেনে চলবেন দেখুন এক নজরে।

বাড়ছে শীতের পারদ। এই সময় কী সর্দি কাশি থেকে শুরু করে জ্বরের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে দূষণের সমস্যা। এই সময় সমস্যা বাড়ে হাঁপানি রোগীদের। সমস্যা থেকে বাঁচতে মেনে চলুন এই কয়টি টিপস। জেনে নিন এই সময় সুস্থ থাকবেন কী করে।

শীতের শুরুতে বায়ুদূষণের কারণে স্বাস্থ্যের অবনতি এড়াতে, বাইরে বেরোনো কমানো, ভালো মানের মাস্ক পরা, এবং বাড়ির ভিতরে বায়ু চলাচল ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মতো ৩টি পরামর্শ মেনে চলা জরুরি।

১. বাইরে বেরোনো কমানো ও কার্যকলাপ সীমিত করা

* বাইরে থাকা কমান: যখন বাতাসের মান খারাপ থাকে, তখন বাড়ির বাইরে কাটানো সময় কমিয়ে দিন এবং যতটা সম্ভব ঘরে থাকুন।

* ব্যায়াম সীমিত করুন: বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় যখন দূষণ বেশি থাকে, তখন বাইরের ব্যায়াম সীমিত করুন এবং সম্ভব হলে বাড়িতে বা ইনডোরে ব্যায়াম করুন।

২. মাস্ক ব্যবহার ও বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা

* মাস্ক পরুন: বাইরে বেরোলে উচ্চ মানের মাস্ক (যেমন N95) ব্যবহার করুন, যা ক্ষতিকারক কণাগুলি আটকাতে সাহায্য করে।

* ঘরের ভিতরে বায়ু চলাচল: রান্নাঘর, বাথরুম এবং অন্যান্য বদ্ধ ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করুন। প্রয়োজনে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন।

* স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও ধূমপান বর্জন: ব্যক্তিগত এবং ঘরোয়া ধূমপান এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি বায়ুদূষণ বাড়ায়।

* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: ঘর এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখুন। ধুলো এবং অন্যান্য দূষক কমাতে নিয়মিত ঝাড়ু দিন ও পরিষ্কার করুন। কাঠ পোড়ানো থেকে বিরত থাকুন।

* স্বাস্থ্যকর খাবার: স্বাস্থ্যকর খাবার খান এবং প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *