কলকাতা: আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মানে ভূষিত হলেন প্রখ্যাত ব্যাঙ্কার চন্দ্রশেখর ঘোষ। ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে কলকাতার রাজভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বন্ধন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন এমডি ও সিইও চন্দ্রশেখর ঘোষের হাতে ‘গভর্নর’স অ্যাওয়ার্ড অফ এক্সিলেন্স – বন্দে মাতরম পুরস্কার ২০২৬’ তুলে দেন রাজ্যপাল ডঃ সি ভি আনন্দ বোস।
তৃণমূল স্তরের মানুষের কাছে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে চন্দ্রশেখর ঘোষের ভূমিকা অগ্রগণ্য। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা থেকে যাত্রা শুরু করে ‘বন্ধন-কোন্নগর’-এর মাধ্যমে তিনি বাংলার কয়েক লক্ষ নারী উদ্যোক্তার অর্থনৈতিক মর্যাদা ও আত্মনির্ভরতা নিশ্চিত করেছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে বন্ধন দেশের বৃহত্তম মাইক্রো-ফিন্যান্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
২০১৫ সালে চন্দ্রশেখর ঘোষের হাত ধরেই এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করে ‘বন্ধন’। ভারতের প্রথম মাইক্রো-ফিন্যান্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউনিভার্সাল ব্যাংকের লাইসেন্স পায় তারা। স্বাধীনতার পর পূর্ব ভারতে প্রথম কোনো বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে দেশের ব্যাংকিং মানচিত্রে বড়সড় বদল আনে বন্ধন ব্যাংক। সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা যে হাতে হাত রেখে চলতে পারে, তা তাঁর কাজের মাধ্যমেই প্রমাণিত।
জাতীয় স্তরে একাধিক সম্মানে ভূষিত এই অভিজ্ঞ ব্যাঙ্কার পূর্ব ভারতের শিল্প ও বাণিজ্য মহলের অন্যতম দিশারি। তাঁর এই নতুন প্রাপ্তি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলার ক্ষুদ্র ঋণ ও উদ্যোক্তা তৈরির আন্দোলনের এক বিশাল স্বীকৃতি বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
