এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টি-টুয়েন্টিতে ১৬৬ রানের লক্ষ্যতাড়ায় নেমে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলে ১৬ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। শুরুর দিকের ব্যাটাররা ভালো করতে না পারলেও তানজিম হাসান সাকিব ও নাসুম আহমেদের সপ্তম উইকেটে ৪০ রানের জুটিতে ম্যাচে টিকে ছিল বাংলাদেশ। ২৭ বলে ৩৩ রান করে তানজিম আউট হয়ে যান। ম্যাচ শেষ করতে না পারায় তাই আক্ষেপ টাইগার পেসারের। তার মতে, তিনি টিকে থাকলে হয়তো ফলাফলটা ভিন্ন হতে পারত।

ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ম্যাচ হারের পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন তানজিম। সেখানে জানান, একজন সেট ব্যাটার থাকলেই বাংলাদেশ জয়টা তুলতে পারতো।

বলেছেন,‘শেষের দিকে শিশির পড়ায় ব্যাটিং করা সহজ হয়ে গিয়েছিল। যদি একজন সেট ব্যাটার থাকতো, তাহলে শেষ দুই ওভারে ৩০ রান তোলা অসম্ভব ছিল না। উইকেটে থাকা ব্যাটসম্যান থাকলে সেটি সামাল দেওয়া যায়। নাসুম ভাইয়ের সঙ্গে ব্যাট করতে ভালো লাগছিল। ইচ্ছে ছিল শেষ পর্যন্ত থেকে ম্যাচটা শেষ করতে। সেটা না পারায় আফসোস থাকবেই।’

বাংলাদেশ শুরুর দিকের ৪ উইকেট হারিয়েছিল ৪১ রানে। সেখানেই ম্যাচের গতি নির্ধারণ হয় বলে জানিয়েছেন তানজিম। বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাটসম্যানদের উইকেটগুলো গেছে পাওয়ার প্লেতেই। তারা যদি সেট হয়ে তারপর আউট হতো, তাহলে পরিস্থিতিটা ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানই সেট হওয়ার আগেই আউট হয়ে গেছে। তবু আমি মনে করি, মিডল-অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা আরও একটু দায়িত্ব নিতে পারত। যারা শুরুতেই আউট হয়ে গেছে, তারা যদি দায়িত্ব নিয়ে খেলা আরেকটু গভীরে নিয়ে যেতে পারত, তাহলে ম্যাচটা হয়তো ভিন্ন হতো।’

শেষ কয়েক ওভারেও জয়ের সুযোগ ছিল বলে জানান তিনি। বলেছেন, ‘তাসকিন ভাই আর ফিজ ভাই তখন ব্যাট করছিলেন। নাসুম ভাইয়ের ছক্কাটা যদি বাউন্ডারির ওপারে যেত, তাহলে হয়তো গল্পটা অন্যরকম হতো। ভালো উইকেটে শেষ চার ওভারে প্রতি ওভারে ১০ রান তোলা কঠিন কিছু নয়।’

ব্যাটারদের ব্যর্থতা নিয়ে তানজিম বলেন, ‘তামিম যেরকম একটা শুরু পেয়েছিল, আসলে খুবই ভালো একটা শুরু। তার ব্যাটে প্রথমেই গিয়েই মিডল হয়ে যাচ্ছিল ব্যাটে। আর বাকি ব্যাটসম্যানদের আসলে অনেকেই সেট হওয়ার আগে আউট হয়ে গেছে। তো তাদের বিষয়ে আর বলার কিছু নাই। বাট মিডল অর্ডার নিয়ে অবশ্যই চিন্তার কারণ আছে। তারা যদি আরেকটু ডিপ করতো খেলাটা, ডিপ করার অপশন ছিল কারণ তখন ফিল্ড ওপেন হয়ে গেছিল। চাইলেই এক এক করে করে আমরা খেলাটা ডিপে নিয়ে যেতে পারতাম।’

বোলারদের প্রশংসা করে তিনি বলেছেন, ‘আমরা সবসময় পরিকল্পনা মেনে সহজভাবে বোলিং করি। মোস্তাফিজ, নাসুম, রিশাদ আর তাসকিন—সবাই খুব ভালো বল করেছে। সেই কারণেই আমাদের বোলিং ইউনিট ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *