তরুণ মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ একটি চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছেন, একটি হাত পাশের টেবিলে রাখা

ছবির উৎস, Bettmann/Getty Images

ছবির ক্যাপশান, তরুণ বয়স থেকেই মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ আইন প্র্যাকটিস শুরু করেন

ঘটনাটি বিংশ শতকের শুরুর দিকের। তখন বম্বেতে, (এখন যেটি মুম্বাই নামে পরিচিত) এক ধরনের রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়েছিল।

ওই অঞ্চলে ব্রিটিশ সরকারের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা লড়ে সেই লড়াইয়ে জিতেছিলেন একজন উদীয়মান আইনজীবী। ঘটনাচক্রে প্রায় চার দশক পর সেই আইনজীবীই একটা নতুন দেশ গঠনের পেছনে কাজ করেছিলেন যার জন্য তিনি বেছে নিয়েছিলেন অহিংস এবং আইনি পথ।

এই ব্যক্তি আর কেউ নন, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

ব্রিটিশ-শাসিত ভারতে স্থানীয় সরকার পরিচালনার জন্য সীমিত পরিসরে স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা শুরু করা হয়েছিল। এই সীমিত স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার আওতায়, বোম্বে পৌর কর্পোরেশনের অর্ধেক সদস্যদের নির্বাচন করতেন ১২ হাজার করদাতা এবং বাকি সদস্যরা ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের মনোনীত।

কর্পোরেশনের এই ‘নির্বাচিত’ শাখায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর মেন্টর ফিরোজ শাহ মেহতাসহ মধ্যপন্থি কংগ্রেস রাজনীতিবিদদের আধিপত্য ছিল। আর সরকারের মনোনীতদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন ইউরোপীয় কর্মকর্তা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *