১৮ ওভার শেষে সিলেটের রান ছিল ৫ উইকেটে ১৩৫। উইকেটে সদ্য এসেছেন মইন আলী ও ইথান ব্রুকস। এমন সময়ে মইনের সামনে ঢাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন বোলিংয়ে নিয়ে আসেন স্পিনার নাসির হোসেনকে। অথচ তখনো সাইফউদ্দিন ও তাসকিন আহমেদের ওভার বাকি।
নাসিরের এই ওভারে মইন নেন ২৮ রান। এবারের বিপিএলে সবচেয়ে খরুচে ওভার ছিল এটি। সেই ছন্দ কাজে লাগিয়ে পরের ওভারে সিলেট তোলে ১৭ রান। এই দুই ওভারই ম্যাচের ছন্দ পরিবর্তন করে দেয়। ম্যাচশেষে নাসিরকে বোলিংয়ে আনা নিজের ‘জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল’ বলে স্বীকার করেছেন মিঠুনও।
সিলেটের এই ১৮০ রান তাড়া করতে নেমে ঢাকা ১৬০ রান তুলতে পারায় ২০ রানে জয়ী হয় স্বাগতিকরা। ৮ ম্যাচে এটি তাদের চতুর্থ জয়। ৮ পয়েন্ট নিয়ে সিলেট এখন প্লে–অফ দৌড়ে তৃতীয় স্থানে। সমান পয়েন্ট আছে চট্টগ্রাম রয়্যালস, রংপুর রাইডার্স আর রাজশাহী ওয়ারিয়র্সেরও। তবে তাদের প্রত্যেকেই ম্যাচ কম খেলেছে। রান রেটের কারণে শীর্ষে থাকা চট্টগ্রাম খেলেছে ৬ ম্যাচ, আর দ্বিতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা রংপুর ও রাজশাহী ৫ ম্যাচ করে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
সিলেট টাইটানস: ২০ ওভারে ১৮০/৬ (আরিফুল ৩৮, আজমতউল্লাহ ৩৩, পারভেজ ৩২, মইন ২৮; জিয়াউর ৩/৩৫, সাইফ ১/১৬)। ঢাকা ক্যাপিটালস: ২০ ওভারে ১৬০/৮ (গুরবাজ ৫১, সাব্বির ২৫; সালমান ৩/২৫, মইন ২/২০)। ফল: সিলেট টাইটানস ২০ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা: মঈন আলী।
