বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দেশজুড়ে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ দোয়া ও প্রার্থনা অব্যাহত রেখেছেন।

সরকারপ্রধানসহ প্রধান উপদেষ্টা খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন এবং তার চিকিৎসায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকরাও পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে তার চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি কয়েকটি বন্ধুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় সবাই যে আন্তরিকভাবে দোয়া ও ভালোবাসা প্রকাশ করছেন, তার জন্য জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

এ অবস্থায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, সংকটময় এই সময়ে মায়ের কাছে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তারও রয়েছে। তবে নিজের দেশে ফেরা বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তার একক নিয়ন্ত্রণে নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পাঠকদের জন্য তারেক রহমানের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল…

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দল মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। 

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তাঁর রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। 

দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাঁদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।

সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। 

একই সাথে জিয়া পরিবার বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোন সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। 

স্পর্শ কাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *