ছবির উৎস, ANI
ভারতের মহারাষ্ট্রে বুধবার সকালে বিমান দুর্ঘটনায় রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার সহ পাঁচ জন মারা গেছেন। দেশটির অসামরিক বিমান চলাচল মহাপরিচালক, ডিজিসিএ এই খবর নিশ্চিত করেছে।
বিবিসির মারাঠি বিভাগকে পৃথক ভাবে খবরটি নিশ্চিত করেছেন অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত সচিব অনিল টিকলে। মি. পাওয়ারের দেহরক্ষী ও একজন সহকারী এবং দুজন ক্রু সদস্যেরও মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রচারের উদ্দেশ্যে মি. পাওয়ারকে নিয়ে ভাড়া করা বিমানটি মুম্বাই থেকে রওনা হয়ে পুণে জেলার বারামতীতে যাচ্ছিল। বারামাতীতে অবতরণের সময়েই ভারতীয় সময় সকাল পৌনে নটা নাগাদ রানওয়ের পাশে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় এবং সেটিতে আগুন লেগে যায় বলে বিবিসি জানতে পেরেছে।
ছবির উৎস, Getty Images
রাজনৈতিক জীবন
যে বারামতীতে অবতরণের সময়ে অজিত পাওয়ারের বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে, সেটিই পাওয়ার পরিবারের রাজনৈতিক শক্ত ঘাঁটি।
বিভিন্ন সময়কালে একনাথ শিন্ডে, দেভেন্দ্র ফাডনবীশ, উদ্ভব ঠাকরে ও পৃথ্বিরাজ চৌহানের অধীনে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাজ করেছেন অজিত পাওয়ার।
ভারতের অতি জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ শরদ পাওয়ারের ভাইপো ছিলেন অজিত পাওয়ার।
দীর্ঘদিন শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বে ন্যাশানালিস্ট কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি-র রাজনীতি করলেও ২০১৯ সালে দলে ভাঙন ঘটিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দেন অজিত পাওয়ার। তাকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী করা হয়।
সংবাদ সংস্থা এএনআই জানাচ্ছে যে অজিত পাওয়ার ১৯৮২ সালে রাজনীতি শুরু করেন। তিনি প্রথমবার লোকসভায় জিতে বারামতী কেন্দ্র থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন ১৯৯১ সালে। পরে অবশ্য আসনটি তিনি তার কাকা শরদ পাওয়ারকে ছেড়ে দেন। বারামতী বিধানসভা আসন থেকে সাত বার বিধায়ক হয়েছিলেন অজিত পাওয়ার।
এনসিপিতে ভাঙনের পরে শরদ পাওয়ার গোষ্ঠী আর অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর মধ্যে কারা দলের নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক নিজেদের দখলে রাখতে পারবে, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।
নির্বাচন কমিশন ২০২৪ সালে অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীকেই দলের নাম এবং প্রতীক প্রদান করে।
{বিমান দুর্ঘটনার আরো তথ্য আসছে…)
