শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার

ছবির উৎস, bss

ছবির ক্যাপশান, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাপ্য নম্বরই পেয়েছে বলে মন্তব্য
করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার। এখন
থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা যেটুকু খাতায় লিখবে, তার ভিত্তিতেই নম্বর দেওয়া হবে এবং কাউকে বাড়িয়ে বা কমিয়ে দেওয়া হবে না, বলেছেন তিনি।

আজ সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মূল্যায়নই শিক্ষা বোর্ডগুলোর মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। ফলাফল মানে শুধু পরিসংখ্যান নয়; এটি পরিবারের আশা, পরিশ্রম ও শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের গল্প।

এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল অনেককেই বিস্মিত করেছে, পাশের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম। “এর উত্তর জটিল নয়, অস্বস্তিকর” বলে মন্তব্য করেছেন মি. আবরার।

তিনি বলেন, “দেশের শিক্ষার মূল সংকট প্রাথমিক স্তর থেকেই শুরু হয়। সেই ঘাটতি বছরের পর বছর জমা হয়। দীর্ঘদিন আমরা সেই বাস্তবতার মুখোমুখি হইনি। আমরা এমন এক সংস্কৃতি গড়ে তুলেছি যেখানে সংখ্যাই সত্য হয়ে উঠেছে। পাশের হার সেখানে সাফল্যের প্রতীক, আর জিপিএ-৫ এর সংখ্যা তৃপ্তির মানদণ্ড।”

“ভালো ফলাফল দেখাতে গিয়ে আমরা অজান্তেই শেখার প্রকৃত সংকট আড়াল করেছি। সেই সংস্কৃতির পরিবর্তন চাই। আমি চাই, শিক্ষা ব্যবস্থা আবারও বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করুক।”

উপদেষ্টা বলেন, “সকল শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশ দিয়েছি ভবিষ্যতে বিশেষ করে এইচএসসি পরীক্ষার মূল্যায়নে, সীমান্তরেখায় থাকা শিক্ষার্থীদের প্রতি সর্বোচ্চ ন্যায্যতা বজায় রাখতে। একই সঙ্গে ফলাফলের বাস্তবতা বিকৃত যেন না হয় তা খেয়াল রাখতে।”

প্রতিটি শিক্ষা বোর্ডকে তাদের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার স্বতন্ত্র পর্যালোচনা প্রতিবেদন তৈরি করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষাবিদ, গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হয়েছে যারা তথ্য বিশ্লেষণ করে শেখার মূল ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করবে, জানান শিক্ষা উপদেষ্টা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *