ইরানের রাজধানী তেহরানে গত আটই মার্চ ছবিটি তোলা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে যে তেহরানের উত্তর-পশ্চিমে একটি তেল ডিপোতে রাতভর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর সেখান থেকে ধোঁয়া উঠছে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হামলা; ইরানের রাজধানী তেহরানে গত আটই মার্চ ছবিটি তোলা হয়েছে

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ বলেছেন, ইরান যুদ্ধবিরতি চাইছে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, “আমরা অবশ্যই যুদ্ধবিরতি চাইছি না। কারণ আমরা মনে করি আগ্রাসনকারীকে এমনভাবে জবাব দিতে হবে যাতে সে শিক্ষা পায় এবং ভবিষ্যতে আর কখনো আমাদের প্রিয় ইরানে হামলার কথা না ভাবতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখার জন্য যুদ্ধ, আলোচনা, যুদ্ধবিরতি এবং আবার যুদ্ধ – এই চক্র চালু রাখতে চায়। আমরা এই চক্র ভেঙে দেব।”

খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরও এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরান যুদ্ধবিরতি চাইছে না এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য “অনুতপ্ত” না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ শেষ হবে না।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।

পিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফের কোনো আলোচনায় বসবে বলে তার মনে হচ্ছে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার অভিজ্ঞতা ইরানের জন্য খুবই তিক্ত।

এসময় তিনি আরও বলেন যে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দুই দফায় আলোচনা হয়েছিলো। তারপরই ইরানের ওপর এবারের এই হামলা চালানো হয়েছে।

তিনি বলেন, আগে দুই দফা আলোচনার পরই ইরানের ওপর হামলা হয়েছে।

এদিকে, ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বলেছেন, যুদ্ধবিরতির জন্য জন্য শর্ত হলো – ভবিষ্যতে ইরানের ওপর আর কখনও আক্রমণ করা হবে না, এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *