রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ট্যাংক, ওপরে অস্ত্র হাতে বসে আছেন কয়েকজন সেনাসদস্য। পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃ্ঙখলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য
ছবির ক্যাপশান, গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে গুলিতে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়

শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে বহু সমালোচনা হয়েছে। অতীতের মতো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও নির্যাতন, গুলিতে মৃত্যুর অভিযোগ থেমে নেই বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের পরে প্রাণঘাতী গুলি ও হেফাজতে নির্যাতনে বিচারবহির্ভূত হত্যার বেশকিছু অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্ত হচ্ছে কি না সেই প্রশ্নও তুলেছেন তারা।

মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সরকারের সময়ে সারা দেশে অন্তত ৪০টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের হিসেবে ওই সংখ্যা ৬০। অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গড়ে প্রতি মাসে চারটির বেশি বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

বর্তমান সরকারের আমলে সংগঠিত বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনাগুলোর তদন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মানবাধিকারকর্মী ও অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গুম কমিশনের সদস্য নূর খান লিটন। গুলিতে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া দরকার বলে মনে করেন তিনি।

“বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা কাস্টডিয়াল টর্চারের যে কালচার সেটা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী বা নিরাপত্তা বাহিনী বেরিয়ে আসছে এখন পর্যন্ত এইটা বলার সুযোগ নাই। অর্থাৎ বিগত সরকারের আমলে যে অবস্থাটা ছিল, তার থেকে আপনি কিছু ব্যতিক্রম পেতে পারেন। কিন্তু খুব বেশি যে উন্নতি হয়েছে সেটা বলার সুযোগ আসেনি। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে,” বলেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *