যশোরে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যার ঘটনায় মেয়ে জামাইসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া এই হত্যার নেপথ্যে মেয়ে জামাই পরশের সঙ্গে শ্বশুর আলমগীরের দ্বন্দ্ব এবং এলাকায় প্রভাব বিস্তার এই দুইটি কারণ সামনে এসেছে।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

আটকরা হলেন নিহত আলমগীরের জামাতা শংকরপুর ইসহাক সড়ক এলাকার বাসেদ আলী পরশ (২৯) ও আসাবুল ইসলাম সাগর (৫২)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে যশোরের পুলিশ সুপার জানান, শনিবার বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যাকাণ্ডের পর যশোর ডিবি ও থানা পুলিশের পাঁচটি দল অভিযান শুরু করে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার ও ভিকটিমের স্বজনদের বক্তব্য এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্তে অভিযান শুরু করে। রবিবার সকালে নিহত আলমগীরের স্ত্রী বাদী হয়ে জামাই বাসেদ আলী পরশ ও একই এলাকার আসাবুল ইসলাম সাগরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে এজাহারভুক্ত পরশ ও সাগরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যশোর শহরের শংকরপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  আলমগীর হোসেন (৫৫) নিহত হন।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *