বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের দাবি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। চূড়ান্ত ফল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি, তবে দলপ্রধান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সামাজিক মাধ্যমে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বার্তায় মোদী বলেন, “বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই জয় জনগণের আস্থার প্রতিফলন।” তিনি আরও আশ্বাস দেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকবে এবং দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী।
গত বছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী প্রশাসনের নেতৃত্বে ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর আমলে সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নানা উদ্বেগ প্রকাশিত হয়েছিল।
– বিজ্ঞাপন –
এর আগে শেখ হাসিনা-র আমলে দিল্লি ও ঢাকার সম্পর্ক ছিল তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। বাণিজ্য, পরিবহণ, সীমান্ত নিরাপত্তা ও তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি ছিল সহযোগিতার মূল ক্ষেত্র।
তবে ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপির শাসনামলের সীমান্তপারের সন্ত্রাস ও চট্টগ্রাম অস্ত্র উদ্ধারের মতো ঘটনার স্মৃতিও রয়েছে। যদিও তারেক রহমান ‘রিসেট’-এর ডাক দিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা, তিস্তা সমস্যা সমাধান এবং হিন্দু সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাঁর ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি ভবিষ্যতে দুই দেশের কূটনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব ফেলবে, তা এখন নজরে।
