ফাইনালের চাপ, ন

কআউট ম্যাচ—এমন মঞ্চেই নিজের গুরুত্ব সবচেয়ে ভালোভাবে প্রমাণ করলেন সাকিব আল হাসান। আবুধাবী নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে বল ও ব্যাট—দুই বিভাগেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ রাখলেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার, যার ফলেই আইএল টি–টোয়েন্টির ফাইনালে উঠেছে এমআই এমিরাটস।

আগে বল হাতে শুরু করেন সাকিব। নিজের চার ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে নাইট রাইডার্সের রান তোলার গতি আটকে দেন তিনি। মাঝের ওভারগুলোতে তার নিয়ন্ত্রিত লাইন–লেংথে স্বচ্ছন্দে খেলতে পারেননি প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানরা। সাকিবের চাপের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিয়মিত উইকেটও তুলে নেয় এমিরাটসের বোলাররা।

১২১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে এমিরাটস। সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন সাকিব। টম ব্যানটনকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস গুছিয়ে নেন তিনি। ঝুঁকি না নিয়ে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাটিং করেন, আবার প্রয়োজনের মুহূর্তে চালান আক্রমণ।

২৪ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও একটি ছক্কা। সাকিব আউট হলেও জয়ের পথ তখন অনেকটাই পরিষ্কার। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে এমিরাটস, আর ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে সাকিবের হাতেই।

টুর্নামেন্টজুড়ে খুব বেশি ব্যাটিংয়ের সুযোগ না পেলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সামনে এসে দাঁড়ালেন সাকিব আল হাসান। চার ওভারে মাত্র ২০ রান দেওয়া আর ব্যাট হাতে ম্যাচ জেতানো ৩৮ রান—এই অলরাউন্ড পারফরম্যান্সই এমআই এমিরাটসকে ফাইনালের মঞ্চে তুলে দিয়েছে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৬৯ ম্যাচে এই নিয়ে ৪৬ বার ‘ম্যান অব দা ম্যাচ’ হয়ে কাইরন পোলার্ড ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের আরও কাছে পৌঁছে গেলেন সাকিব। ৭৩২ ম্যাচ খেলে ৪৮ বার সেরা হয়েছেন পোলার্ড, ৪৯২ ম্যাচ খেলে ৪৮ বার ম্যাক্সওয়েল। টি-টোয়েন্টির অনেক রেকর্ডের মতো এখানেও অনেকটা এগিয়ে থেকে সবার ওপরে ক্রিস গেইল। ৪৬৩ ম্যাচ খেলে ৬০ বার সেরার পুরস্কার জিতেছেন ‘ইউনিভার্স বস।’





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *