
বাজেট ঘোষণার পর প্রথাগতভাবে অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের ব্যয় মন্থর থাকে। তবে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যয়ের প্রবণতা অন্যবারের তুলনায় বেড়েছে।
পরিচালন ও উন্নয়ন খাত মিলিয়ে এ সময়ে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ।
এর মধ্যে পরিচালন খাতে ব্যয় হয়েছে ৯৪ হাজার ৩৯৯ কোটি এবং উন্নয়ন খাতে ১০ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা।
গত অর্থবছরের একই সময়ে পরিচালন ও উন্নয়ন খাত মিলিয়ে ব্যয় হয়েছিল ৯৫ হাজার ১৬৫ কোটি টাকা। প্রথম প্রান্তিকে সরকারের ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরের ৭২ হাজার ৫২ কোটি টাকা থেকে চলতি বছর ১ লাখ ৪ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
বাড়তি ব্যয়ের প্রধান কারণ পরিচালন খাত। কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) ব্যয় সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় এই সময়ে ব্যয় করেছে ৭ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা বেশি।
ইআরডি ব্যয় বেড়েছে ২ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে ৬ হাজার ১৫৯ কোটি টাকায়। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যয়ও বেড়ে ৫ হাজার ৮০৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর – From Tk60,000 to Tk4,000: How local pharma makes cancer drugs affordable, অর্থাৎ যেভাবে স্থানীয় ফার্মাগুলো ক্যানসারের ঔষধ ৬০ হাজার টাকা থেকে চার হাজারে নামিয়ে নিয়ে আসছে।
১৫ বছর আগে বাংলাদেশ প্রায় সম্পূর্ণভাবে ব্যয়বহুল আমদানি করা ক্যান্সার ওষুধের ওপর নির্ভর করত এবং বছরেএক হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ হত, যা বেশিরভাগ রোগীর কাছে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা অপ্রাপ্য করেছিল।
গত দশকে দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ধীরে ধীরে পরিবর্তন এসেছে।
সরকারের কর ও শুল্ক ছাড়, উত্পাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ক্যান্সার রোগের বৃদ্ধি মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন প্রায় ৯৫ শতাংশ ক্যান্সার ওষুধ দেশীয়ভাবে উৎপাদন করে, যা কম আয়ের ও দরিদ্র রোগীদের জন্য চিকিৎসা সহজলভ্য করেছে।
বিকন, ইনসেপ্টা ও রেনাটা সহ অন্তত ১৭-১৮টি প্রতিষ্ঠান বর্তমানে অনকোলজি ওষুধ উৎপাদন করছে। বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের এক্সিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট এসএম মাহমুদুল হক পল্লব বলেছেন, বাংলাদেশ এখন প্রায় সব ধরনের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন করে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক সহিংসতার মামলায় অভিযোগপত্রে মৃত, নিখোঁজ ও বিদেশে থাকা ব্যক্তিদের নাম থাকলেও তাদের সাজা দেওয়ার কিছু নজির রয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের পরও কিছু মামলায় মৃত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই সমস্যা ঠেকাতে পুলিশ সদর দপ্তর ৯টি নির্দেশনা দিয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো মৃত ব্যক্তিকে অভিযোগপত্রে বা তদন্ত প্রতিবেদনে আসামি করলে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাকে শাস্তি দিতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অভিযোগপত্রে মৃত, নিখোঁজ বা প্রবাসী ব্যক্তির নাম থাকা মানে তদন্তে ঘাটতি ও গাফিলতির প্রতিফলন।
তবে পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, গত নির্বাচনের আগে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির চাপের কারণে এসব ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নুরুল হুদা বলেন, মৃত ও অনিবাসী ব্যক্তিকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেওয়া শুধু প্রশাসনিক ত্রুটি নয়, এটি আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। পুলিশ সদর দপ্তরের নজরদারি ইতিবাচক হলেও বাস্তবে কতটা পরিবর্তন হবে, তা সময়ই দেখাবে।

বাংলাদেশে এক সময় ভয়ঙ্কর সামাজিক অভিশাপ হিসেবে পরিচিত অ্যাসিড সন্ত্রাস কয়েক বছর আগেই অনেকটা থমকে ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির পর আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
চলতি বছরের প্রথম দশ মাসে সাত নারী অ্যাসিড হামলার শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত পাঁচ বছরে ৮৪ জন নারী আক্রান্ত হয়েছেন, ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে নতুনভাবে এই সহিংসতা বেড়েছে, বিশেষত পারিবারিক বিরোধ, যৌতুক ও প্রেম প্রত্যাখ্যানকে কেন্দ্র করে।

চলনবিল, দেশের বৃহত্তম বিল, বর্তমানে নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জে বিস্তৃত। এক সময়ে পাখ-পাখালি, দেশীয় মাছ ও ধানে ভরপুর এই জলাভূমি ছিল এলাকায় খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত।
কিন্তু দখল, দূষণ, নদীনালার পানিপ্রবাহ হ্রাস, কংক্রিটের স্থাপনা, সড়ক-ব্রিজ নির্মাণ ও পলি ভরাটের কারণে বিল আজ অস্তিত্ব সংকটে। আত্রাই, নন্দকুঁজা, গুমানী, বড়ালসহ ২২টি নদনদী প্রায় মৃতপ্রায় হয়ে গেছে। ৫ দশকে ৮০০ বর্গকিলোমিটারের বিল এখন মাত্র ৬৬ বর্গকিলোমিটারে সীমাবদ্ধ। জলজ বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে।
১৯৮১ সালে প্রকাশিত ‘ইম্পেরিয়াল গেজেট অব ইন্ডিয়া’ অনুসারে, চলনবিল ছিল ৫০০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে, ৩৯টি বিল, ১৬টি নদী ও ২২টি খালসহ বিস্তৃত। সরকারের কোনো কার্যকর উন্নয়ন প্রকল্প না থাকায় পরিবেশ বিপর্যয় ও মানুষের দুর্ভোগ চলছেই।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির ঘোষিত ২৩৭টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘিরে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সমাবেশ, সড়ক ও রেলপথ অবরোধসহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কিছু এলাকায় টানা আন্দোলন চলছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় হাইকমান্ড চাপে পড়েছে বলে জানা গেছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, কিছু আসনে বিতর্কিত, হাইব্রিড ও দুঃসময়ে অনুপস্থিত নেতাদের প্রার্থী করা হয়েছে—যা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে। মাদারীপুর-১ আসনে নেতিবাচক তথ্য পাওয়ায় প্রার্থিতা স্থগিত করা হয়েছে। এদিকে জামায়াতের শক্ত ঘাঁটিতে দুর্বল প্রার্থী দেয়ার অভিযোগও উঠেছে।
নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন বিদেশে থাকা বা আন্দোলনে সক্রিয় না থাকা অনেকেই মনোনয়ন পেয়েছেন, অথচ রাজপথে থাকা নেতারা উপেক্ষিত। তবে দলীয় কেন্দ্র জানিয়েছে, তালিকাটি চূড়ান্ত নয়; প্রয়োজনে স্থায়ী কমিটি পরিবর্তন আনতে পারে।

বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছে। দলের মতে, সৃষ্ট রাজনৈতিক সংকট নিরসনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আলোচনায় বসা কোনো সঠিক পন্থা নয়।
নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, সমস্যা সৃষ্টি করেছে সরকার ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন মিলিতভাবে। কারণ, সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কমিশনের সুপারিশ এবং দলগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐকমত্য সনদের মধ্যে মিল নেই।
বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট (দ্বিমত) সনদে তাদের মতামত লিপিবদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু তা পূরণ হয়নি। ফলে সরকারের পক্ষ থেকে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় আসার প্রস্তাব দলটির চোখে তামাশার মতো মনে হচ্ছে।
তবুও সরকার যদি আলোচনার জন্য দলগুলোকে ডাকে, বিএনপি সেই সুযোগে তাদের অবস্থান শক্তভাবে তুলে ধরবে।

রাষ্ট্র সংস্কারে প্রণীত ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সরকার দলগুলোকে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনও জটিল। বিএনপি একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের দাবি জানালে, জামায়াত ও এনসিপি সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের জন্য ভোটের সংখ্যানুপাতে (পিআর পদ্ধতি) গুরুত্ব দিতে চাচ্ছে। এই ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে দলগুলোর আলোচনাও হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকে গণভোটের তারিখ, বিষয়বস্তু এবং সনদে বর্ণিত ভিন্নমতগুলোর মোকাবিলায় প্রস্তাবিত পদক্ষেপ নিয়ে ‘জরুরি ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সরকারের দেওয়া এক সপ্তাহের সময় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, কিন্তু পাঁচ দিনের আলোচনার পরও কোনো দৃশ্যমান সমাধান আসেনি।
পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তেজনাপূর্ণ হচ্ছে। রাজপথে শক্তি প্রদর্শনের কর্মসূচি জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়িয়েছে। এমন অবস্থায় সরকার দলগুলোর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকলেও সমাধানের পথ খোঁজার জন্য আলোচনাকে অব্যাহত রেখেছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে- বন্দরনগরী চট্টগ্রাম দেশের আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত। কিন্তু ফ্যাসিবাদবিরোধী সময়কালে এখানকার বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন ছিল তীব্র।
স্থানীয় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বছরের পর বছর মামলার বোঝা ও নির্যাতনের মধ্যে জীবন কাটিয়েছেন।
প্রায় ১৪শ’ মামলায় জড়ানো হয় লক্ষাধিক কর্মীকে, নিহত হন অন্তত ৩০ জন। গুম, অঙ্গহানি ও পঙ্গুত্বের ঘটনাও ঘটে একাধিকবার। বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম বাচা চেয়ারম্যান এখনো নিখোঁজ।

মাদকসহ হাতেনাতে ধরা পড়লেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আসামিরা বিচারিক প্রক্রিয়ায় খালাস পেয়ে যাচ্ছেন। প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশে মাদকের যত মামলা হয়, তার ৫৯ শতাংশই শেষ পর্যন্ত আদালতে প্রমাণ করা যায় না। অন্যভাবে বলা যায়, মাদকের ৫৯ শতাংশ মামলায় আসামিদের সাজা হয় না।
ঢাকাসহ দেশের ২৬টি জেলার বিভিন্ন আদালতে নিষ্পত্তি হওয়া মাদকের ৫০০ মামলার রায় পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণে এমন চিত্র উঠে এসেছে। এর মধ্যে ২৯৬টি মামলায় সব আসামি খালাস পেয়েছেন। সাজা হয়েছে ২০৪টি মামলায়। অর্থাৎ সাজার হার মাত্র ৪১ শতাংশ।
প্রথম আলোর পর্যালোচনায় দেখা গেছে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ঘোষিত ৫০০টি মাদক মামলার রায়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রকৃত অপরাধীরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। এসব মামলা হয়েছিল ২০০৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বাইরে তদন্তে নতুন কোনো নাম উঠে আসেনি। অভিযোগপত্রেও মাদকের পৃষ্ঠপোষক, আশ্রয়দাতা বা অর্থ জোগানদাতাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
রায় পর্যালোচনায় আদালত যে কারণগুলো উল্লেখ করেছে, তাতে ১৬টি বড় ধরনের ঘাটতির কথা উঠে এসেছে, যার ফলে হাতেনাতে গ্রেপ্তারের পরও অধিকাংশ মামলায় অপরাধ প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি।

নিউ এইজ পত্রিকার আজকের খবর- Policy on higher studies backfires, অর্থাৎ উচ্চশিক্ষা নীতিতে উল্টো ফল।
এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত এক দশকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দ্রুত বাড়ানো এবং প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণে তরুণদের প্রশিক্ষণ প্রকল্প চালুর সরকারি উদ্যোগ প্রত্যাশিত ফল দেয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১০ সাল থেকে চালু হওয়া এসব কর্মসূচিতে গুণগত মানের চেয়ে ভর্তি বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়ায় প্রকল্পগুলো লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে অনেক স্নাতকই দক্ষতার ঘাটতির কারণে চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারছেন না।
২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপে দেখা গেছে, স্নাতক পর্যায়ের বেকারত্বের হার ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, যা সব শিক্ষাগত স্তরের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং গত আট বছরে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
বিআইডিএসের সাবেক মহাপরিচালক কে এ এস মুরশিদের মতে, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিকদের মালিকানাধীন অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বিক্রির প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণ দুর্বল। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তরুণরাই।
২০১০ সালে দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৮২টি, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭২-এ; এর মধ্যে ১১৬টি বেসরকারি এবং ৫৬টি সরকারি।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- Civil service: Frustration as retirees rehired for key posts অর্থাৎ সিভিল সার্ভিস: অবসরপ্রাপ্তদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পুনর্নিয়োগে হতাশা।
যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতির পথ আটকে দিচ্ছে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, এমন অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের ভেতর থেকেই। এতে সচিব পর্যায়ে অস্বস্তি ও ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক কর্মকর্তা।
বর্তমানে দেশের ৭০ জন সচিবের মধ্যে অন্তত ২০ জন চুক্তিভিত্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ১০ জন সিনিয়র সচিব, যারা আমলাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন।
গত ১৪ মাসে ১২ জন অবসরপ্রাপ্ত সচিব ও সিনিয়র সচিবকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান সচিব, জনপ্রশাসন সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিব- সবাইই এখন চুক্তিভিত্তিকভাবে দায়িত্বে আছেন, যাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রায় এক দশক আগে অবসর নিয়েছিলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশিদ নিয়মিত চাকরি থেকে অবসরে যান ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৯ সালে তাকে ওএসডি করা হয়েছিল, ফলে মূল দায়িত্ব থেকে প্রায় ১৫ বছর তিনি দূরে ছিলেন।

