
আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত অধিকাংশ সংবাদপত্রে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে। সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন স্থানে চোরাগোপ্তা হামলা ও ককটলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়েও প্রতিবেদন রয়েছে পত্রিকার পাতায়।
টানা কয়েকদিন ধরে বেশ কিছু স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে চোরাগোপ্তা হামলা করছে দুর্বৃত্তরা। বেশ কিছু স্থাপনার ভেতরে-বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ ও ধারাবাহিকভাবে কিছু বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
যদিও এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ছোট ছোট এসব ঘটনা থেকে বড় ধরনের হামলা ও নাশকতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার কথা জানালেও তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে একের পর এক এত ঘটনা ঘটছে।
এসব ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তাদেরও শনাক্ত করা যাচ্ছে না। চোরাগুপ্তা হামলা ও নাশকতার আশঙ্কায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কারণ দুর্বৃত্তরা কখন কোথায় কীভাবে হামলা করছে সেটির আগাম কোনো তথ্য মিলছে না। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়েই তারা সুবিধাজনক স্থানে বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগ করছে।
সোমবার ভোর থেকে রাত পর্যন্ত অন্তত ১২টি ককটেল বিস্ফোরণ ও তিনটি অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।

‘জটিল ঘূর্ণিপাকে রাজনীতি’ এটি কালের কণ্ঠের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নভেম্বরে গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে আজ জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের সমাবেশ। দুপুর ২টায় রাজধানীর পল্টনে এ সমাবেশ হতে যাচ্ছে।
জামায়াত থেকে আগেই বলেছে, ‘দাবি মেনে না নিলে আগামী ১১ নভেম্বর রাজধানী ঢাকার চিত্র ভিন্ন হবে’।
এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোকে দেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের এক সপ্তাহের সময় গতকাল সোমবারই শেষ হয়ে গেছে।
এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায় সরকারের। বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলোও নিজেদের অবস্থানে অনড়।
একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো গোপনে কে কার সঙ্গে বৈঠক করছে, কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা হচ্ছে তা নিয়েও নানা গুঞ্জন ও গুজব চলমান।
গতকাল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর মধ্যে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একটি গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল বলেছেন, ‘একটি মহল নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া মানে দেশের সর্বনাশ করা’।
রাজনীতির এই ঘূর্ণিপাকের মধ্যে আগামী ১৩ নভেম্বর কী ঘটতে যাচ্ছে, তা নিয়েও নানা আলোচনা-গুঞ্জন চলমান।

‘যক্ষ্ময় দৈনিক মৃত্যু ১২১, তিন দশকের চেষ্টায়ও সাফল্য নেই’ এটি প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, তিন দশক ধরে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক অর্থ ও কারিগরি সহায়তা পাওয়ার পরও দেশে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে বড় সাফল্য নেই। ওষুধ ও কিট কিনতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দাতাদের কাছে জরুরিভাবে অর্থ চেয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের নজরদারির অভাব, এনজিওগুলোর ওপর অতিনির্ভরশীলতা ও লক্ষ্যমাত্রা পূরণের চাপ যক্ষ্মা কর্মসূচিকে দুর্নীতিগ্রস্ত করেছে।
প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ওপর সরকারের বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কম। জাতীয় কর্মসূচি হলেও যক্ষ্মার কাজের সম্মুখভাগে মূলত এনজিওগুলোকে দেখা যায়।
কয়েকটি জেলায় রোগী বৃদ্ধির কারণ জানা যাচ্ছে না। অন্যদিকে উপজেলা পর্যায়ে নষ্ট ওষুধ পাওয়া গেলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর কোনো তদন্ত করেনি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি কারও নজরদারিতে নেই।
স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচির (সেক্টর কর্মসূচি নামে পরিচিত) অধীন অপারেশন প্ল্যানের (ওপি) আওতায় প্রায় তিন দশক ধরে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে।
দেখা গেছে, অল্প সময়ের জন্য ওপির লাইন ডিরেক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়। কাজ বুঝে ওঠার আগেই তাকে চলে যেতে হয়, নতুন ডিরেক্টর বসানো হয়।
এ বছর জুলাই মাসে সেক্টর কর্মসূচি বিলুপ্ত করেছে সরকার। যক্ষ্মা এখন মাইকোব্যাকটেরিয়াল ডিজিজ কন্ট্রোল (এমবিডিসি) কর্মসূচির আওতায়।
এমবিডিসির নতুন পরিচালক আলী হাবিব দায়িত্ব নিয়েছেন দেড় মাস আগে। তিনি অবসরকালীন ছুটিতে যাবেন তিন মাস পর। সরকার তখন আবার নতুন পরিচালক নিয়োগ দেবে।
আলী হাবিব অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তার কার্যালয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদককে বলেন, তিনি নতুন মানুষ। যক্ষ্মা পরিস্থিতি বা কর্মসূচি সম্পর্কে তার ধারণা কম। তিনি কিছুদিন পর যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।
পহেলা নভেম্বর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি দোসরা নভেম্বর যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। এরপর আর কথা হয়নি।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কয়েক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং কয়েকটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরেও এই সময়ে ঘটেছে নাশকতামূলক আগুনের ঘটনা। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর রশি-টানাটানি, অস্থিরতা চলছে।
এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আগামী বৃহস্পতিবার ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায়ের দিন ঘোষণা করা হবে।
ওই দিন আবার ঢাকা লকডাউনের হুমকি দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। সব মিলিয়ে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে ককটেল-আগুনের ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ-আতঙ্ক আরও বাড়ল।
পরিস্থিতি যে উদ্বেগের, তা মনে করছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমও। তিনি গতকাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চোরাগোপ্তা হামলা হলে স্বাভাবিকভাবে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে থাকে।’

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর বহুল আলোচিত-সমালোচিত বেসরকারি হাসপাতালগুলোর একটি আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। বেসরকারি এ হাসপাতালের নামে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে (এনবিএফআই) ঋণ রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার।
বিপুল এ ঋণের প্রায় সবটাই এখন খেলাপি। হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনোয়ার হোসেন খান পলাতক। একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।
আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতালের সঙ্গে মেডিকেল কলেজ, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ আরো কিছু অঙ্গপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ঋণের অর্থ আদায়ে ব্যাংক নির্বাহীদের দুশ্চিন্তা ক্রমেই বাড়ছে।
ঋণখেলাপি আনোয়ার হোসেন খানকে খুঁজে না পেয়ে এখন বন্ধকি সম্পত্তি নিলামে তোলা শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। যদিও নিলামে সেসব সম্পত্তি কেনার মতো ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালসহ আনোয়ার হোসেন খানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের স্থিতি এখন ৩ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। প্রতিনিয়ত অনাদায়ী সুদ যুক্ত হওয়ায় ঋণের স্থিতি ক্রমশ বাড়ছে।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম, ‘Nearly 75% CEPZ factories have no fire safety certificate’ . অর্থাৎ, সিইপিজেডের প্রায় ৭৫ শতাংশ কারখানার অগ্নি নিরাপত্তা সনদ নেই।
খবরে বলা হচ্ছে, ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের সাম্প্রতিক এক তদন্তে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) প্রায় তিন-চতুর্থাংশ কারখানা বাধ্যতামূলক অগ্নি নিরাপত্তা কার্যকারিতা সনদ ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে।
প্রতিটি কারখানা স্থাপনের সময় একটি অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনুমোদন নিতে হয়। পরিদর্শনের মাধ্যমে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কার্যকর কি না তা নিশ্চিত হওয়ার পরে একটি কার্যকারিতা সনদ গ্রহণ করতে হয়।
সিইপিজেডের ভেতরে দুটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর গত সপ্তাহে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। সে অনুসারে, সিইপিজেডের ১৬৪টি কারখানার মধ্যে মাত্র ৫৫টির কাছে বর্তমানে বৈধ সনদ রয়েছে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বৈধ সনদের অভাব কেবল ২০০৩ সালের অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন লঙ্ঘন করে না বরং শ্রমিক এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যও উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি তৈরি করে।
চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক আব্দুল মান্নান বলেন, ’জরুরি পরিস্থিতিতে এর ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে’।

এরপর আদালতপাড়ার কাছে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের ফটকে দিনদুপুরে গুলি করে হত্যা করা হয় তাকে। রাজধানীতে কয়েকদিন ধরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটল।
সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে মামুন (৫৫) দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন। এ সময় দুই ব্যক্তি খুব কাছে থেকে তাকে গুলি করছেন। তিন-চার সেকেন্ডের মধ্যে পুরো ঘটনা ঘটে। গুলি করার পর দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
নিহত মামুনের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মোবারক কলোনি এলাকায়। রাজধানীর বাড্ডায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন তিনি।
এদিকে ঢাকার জনাকীর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে ফিল্মি কায়দায় গুলি করে দুর্ধর্ষ হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। এর মধ্য দিয়ে ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি আবার সামনে এলো বলে মনে করছেন তারা।
এর আগে ৫ নভেম্বর চট্টগ্রামে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর জনসংযোগকালে গুলিতে একজন নিহত হন।
নিহত মামুনের পরিবার বলছে, পেশায় ব্যবসায়ী তিনি। মিরপুরে গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পুলিশ বলছে, মামুন অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী।

দেশ রূপান্তরের শিরোনাম ‘সুযোগে সক্রিয় আন্ডারওয়ার্ল্ড’। খবরে বলা হচ্ছে, সরকারের ঘোষণা অনুসারে আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আগামী মাসের যে কোনো দিন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার কথা রয়েছে। বিভিন্ন আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে সারা দেশেই।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্তারা বৈঠক করছেন। এরই মধ্যে হত্যাকাণ্ড, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন সরকারের হাইকমান্ড।
ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ কয়েকটি স্থানে হত্যাকাণ্ড ও গুলির ঘটনার পেছনে আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম উঠে এসেছে।
ব্যক্তিগত ও এলাকাভিত্তিক আধিপত্যের পাশাপাশি উদঘাটন করার দাবি করেছে পুলিশ। পতিত আওয়ামী লীগের ইন্ধন থাকার বিষয়ে তথ্য পেয়েছে পুলিশ। যারা ইন্ধন দিয়েছে তাদের নামও হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বলে তথ্য এসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।
গতকাল ঢাকার তিনটি স্থানে যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আদালতে যাওয়ার সময় পুরান ঢাকায় সাবেক ছাত্রদল সংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানায়, আগামী ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগ সারা দেশে ব্লকেডের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।
গতকাল ঢাকার তিনটি স্থানে যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আদালতে যাওয়ার সময় পুরান ঢাকায় সাবেক ছাত্রদল নেতা তারিক সাঈদ মামুনকে কমান্ডো স্টাইলে কয়েক শ লোকের সামনে গুলি করে হত্যা করে বীরদর্পে চলে গেছে খুনিরা। এ ঘটনায় আন্ডাওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন গ্রুপ সম্পৃক্ত বলে নিহতের পরিবার দাবি করেছে।

