পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, পত্রিকা

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য দুই বিদেশী অভিজ্ঞ বাংলাদেশী পেশাদারকে যুক্ত করেছে। লুৎফে সিদ্দিকীকে আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে এবং চৌধুরী আশিক মাহমুদকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

লুৎফে সিদ্দিকীর দায়িত্ব মূলত আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও আগের সরকারের সময় সংঘটিত অর্থনৈতিক অপরাধ ও খেলাপি ঋণ (নন-পারফর্মিং লোন) তদন্তের জন্য ‘ট্রুথ কমিশন’ গঠনের ওপর। আশিক চৌধুরীর ম্যান্ডেট ছিল বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীর আস্থা ফিরিয়ে আনা।

তবে এই দুজনের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, রাষ্ট্র সংস্কারের মূল লক্ষ্য অগ্রাহ্য করে তারা বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন ‘হাই-ভ্যালু ডিল’, যেমন রাষ্ট্রীয় কেনাকাটা, বন্দর ও বড় অবকাঠামো চুক্তি। এতে নীতিগত সংস্কার ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়নের তুলনায় রাষ্ট্রের সম্পদ ও সিদ্ধান্তগ্রহণ ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

এই পরিস্থিতি জনপরিষদের কাছে ইকোনমিক হিটম্যানের ধারণার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে—যেখানে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কৌশল ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের নীতি ও সম্পদ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *