
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বলেছেন, দুর্বল শাসনব্যবস্থাই বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালে অনানুষ্ঠানিক সরকার পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। তিনি বলেন, কোনও দেশের রাষ্ট্রগঠন, নিরাপত্তা রক্ষা ও নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কার্যকর শাসনব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
‘রাষ্ট্রীয় ঐক্য দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া বক্তৃতায় দোভাল আরও বলেন, আজকের মানুষ আগের তুলনায় বেশি সচেতন ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী, তাই তাদের সন্তুষ্ট রাখতে রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, একটি জাতির শক্তি নিহিত থাকে তার প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা শক্তিশালী তার ওপর।
তিনি ভারতের শাসন মডেলের প্রশংসা করে দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত এখন নতুন পথচলায়- দুর্নীতি দমন ও কাঠামোগত সংস্কারে বড় অগ্রগতি হয়েছে।
দোভাল বলেন, পরিবর্তনের সময়ে সবচেয়ে জরুরি হলো স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি। ভয় ও বিশৃঙ্খলা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে না পারলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।
তিনি স্বাধীনতার পর ভারতের ভৌগোলিক ঐক্যে বল্লভভাই প্যাটেলের অবদানও স্মরণ করেন।

নয়া দিগন্ত পত্রিকার আজকের শিরোনাম- ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন। এই খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারো এক নতুন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষের দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা ও ফেব্রুয়ারির মধ্যভাগে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে দৃশ্যত এখনো পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেখা গেলেও শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সমঝোতার দিকেই অগ্রসর হচ্ছেন বলে জানা যাচ্ছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের এক বছর পূর্তি ঘিরে অন্তর্বর্তী সরকারের গতি, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশলগত অবস্থান এবং জনগণের প্রত্যাশা- সবমিলিয়ে এখন একটি ‘সমঝোতাভিত্তিক নির্বাচন’ নিয়েই আলোচনা তীব্র হচ্ছে।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ঘোষিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ রাজনৈতিক পুনর্গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। সনদের মূল লক্ষ্য ছিল- গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন, নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং দলীয় রাজনীতির পুনর্নির্মাণ।
এ সনদের অধীনে গত এক বছরে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন কমিশন সংস্কার, রাজনৈতিক অর্থায়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কমিশন গঠনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।
এখন সরকারের লক্ষ্য- ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এমন একটি নির্বাচন আয়োজন করা, যা এই সংস্কারকাঠামোর ‘প্রথম পরীক্ষামূলক প্রয়োগ’ হিসেবে দেখা হবে।

বিএনপি এখনও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে দলের বেশ কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তাঁরা মনোনয়নের ইঙ্গিত পেয়েছেন এবং ইতোমধ্যে নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা শুরু করেছেন।
দলীয় সূত্র বলছে, কয়েক ধাপে প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজ প্রায় শেষ। চলতি মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করতে পারে বিএনপি।
তবে ঘোষণার আগে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতোমধ্যে অনেক মনোনয়নপ্রত্যাশীকে আশ্বস্ত করেছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ মূলত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানই করছেন।
কিছু আসনে এখনও সিদ্ধান্ত বাকি, তবে অনেকেই তাঁর কাছ থেকে প্রার্থী হওয়ার নিশ্চয়তা পেয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, কতজনকে এ নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

এই খবরে বলা হচ্ছে- ঢাকায় গণভোটের সময়সূচি ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের প্রকাশ্য বিরোধ দিনে দিনে আরও বাড়ছে। একে অপরের বিরুদ্ধে কটূক্তি চলছে, আর সংস্কার প্রশ্নে এনসিপিও বড় দুই দলকে কঠোর সমালোচনা করছে।
একই সঙ্গে তিন দলই সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে বড় দুই শক্তির বিরোধ থামাতে সরকার নেপথ্যে সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলসহ চারজন উপদেষ্টা ইতোমধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে দু’দফা আলোচনা করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত অগ্রগতি নেই।
বিএনপি চায় জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট হোক। মহাসচিব মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
কিন্তু জামায়াত ও এনসিপি চাইছে গণভোট নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হোক। সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি জামায়াতও নিশ্চিত করেছে।
২৮ অক্টোবর ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার পরই দলগুলোর বিরোধ প্রকাশ্যে তীব্র হয়েছে।
সূত্র বলছে, আলোচনায় সরকার দুটি প্রস্তাব দিয়েছে। বিএনপিকে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি মেনে নিতে বলা হয়েছে। আর জামায়াতকে একই দিনে নির্বাচন ও গণভোটে রাজি হতে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে দুই দলই এখন পর্যন্ত নিজেদের অবস্থানে অনড়।

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যে প্রস্তাব অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দিয়েছে, তা নিয়ে চলছে তীব্র বিতর্ক।
জুলাই জাতীয় সনদ ও এর বাস্তবায়ন—চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে যুক্ত দলগুলোর মধ্যে এ নিয়ে বিভেদ তৈরি হওয়ায় সর্বমহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
সামাজিক মাধ্যমে সম্ভাব্য গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে চলছে প্রচারণা, আর জনপরিসরে উঠছে নানা প্রশ্ন।
সংবিধান সংস্কারের ৪৮টি বিষয়ে একটি মাত্র ‘হ্যাঁ-না’ প্রশ্নে গণভোট কিভাবে হবে? গণভোটের সময় কবে নির্ধারণ করা হবে?
জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে আগে, নাকি পরে? সরকার শেষ পর্যন্ত কোন পক্ষের দাবি মেনে নেবে?
জুলাই জাতীয় সনদকে ঘিরে রাজনৈতিক দলের এই বিপরীতমুখী অবস্থান কি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকেই অনিশ্চিত করে তুলবে না?

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে- বিএনপি অভিযোগ করেছে যে একটি গোষ্ঠী একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে গুরুত্বহীন করে ২০২৪ সালের আন্দোলনকে বড় করে দেখানোর চেষ্টা করছে।
তাদের দাবি, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক আন্দোলনসহ আগেও কয়েক দফা সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু এর কোনোটির সঙ্গেই একাত্তরের তুলনা চলে না, কারণ মুক্তিযুদ্ধ একটি নতুন দেশ সৃষ্টি করেছে।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে বিএনপি নেতারা এসব মন্তব্য করেন। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্বের ভিত্তি হলো ১৯৭১ সাল।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, একাত্তরের যুদ্ধকে পেছনে ঠেলে চব্বিশ সালের আন্দোলনকে সামনে আনার চেষ্টা চলছে।
তিনি ইঙ্গিত করেন, যারা একসময় স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই এখন একাত্তরকে ছোট করে দেখাতে চাইছে।

নিউ এইজ পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- Deadly chemical businesses keep operating in city অর্থাৎ ঢাকায় প্রাণঘাতী রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবসা চলছেই।
নগরবাসীর প্রাণ ও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেও ঢাকার আবাসিক এলাকায় এখনও চালু রয়েছে বিপজ্জনক রাসায়নিক ও প্লাস্টিক কারখানা।
বিগত ১৫ বছরে একের পর এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরও এসব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
২০১০ সালের নিমতলী ট্র্যাজেডিতে কমপক্ষে ১২৪ জন নিহত হওয়ার পর এই ধরনের ব্যবসা সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
কিন্তু বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) হাতে নেওয়া দুটি পুনর্বাসন প্রকল্প, একটি রাসায়নিক ব্যবসার জন্য, অন্যটি প্লাস্টিক কারখানার জন্য, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে চালু হলেও কমপক্ষে তিন দফা সময়সীমা পেরিয়ে গেছে।
বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর দায়িত্বহীনতা ও সমন্বয়হীনতার সুযোগে ব্যবসায়ীরা আইনের ফাঁক গলে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে আতঙ্ক কাটছে না নগরবাসীর।
১৪ অক্টোবর মিরপুরের রূপনগরে একটি পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৭ জন নিহত হওয়ার পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত হয় পাশের একটি রাসায়নিক গুদাম থেকে।
মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, উত্তরা ও পুরান ঢাকায় এখনও ডজনখানেক প্লাস্টিক ও রাসায়নিক ব্যবসা আবাসিক এলাকায় চলছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, যা যে কোনো সময় নতুন বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

একবিংশ শতাব্দীতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন প্রতিযোগিতার নাম বিরল খনিজ কূটনীতি। আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি বিরল খনিজ উপাদান ঘিরেই শুরু হয়েছে এ লড়াই।
এশিয়ার বহু দেশ- বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দিকে এই খনিজের বিশাল ভাণ্ডারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
ধারণা করা হয়, পৃথিবীর অব্যবহৃত বিরল খনিজের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই অঞ্চলের মাটির নিচে রয়েছে। আর সেই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় শক্তিগুলোর নজর এখন এ অঞ্চলে।
ফাইটার জেট, রাডার, সাবমেরিন সেন্সর থেকে শুরু করে স্মার্টফোন, কম্পিউটার চিপ, বৈদ্যুতিক গাড়ি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো প্রায় সব আধুনিক প্রযুক্তিই এ উপাদানের ওপর নির্ভরশীল।
বিশেষ করে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে গুরুত্বের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো দেশগুলো এগুলোকে কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করছে।
টেক কোম্পানি বা ইভি নির্মাতা- টেসলা, বিএমডব্লিউ, টয়োটাসহ সবাই এই খনিজের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ভবিষ্যতের অর্থনীতি ও নিরাপত্তা রাজনীতিতে বিরল খনিজই হতে পারে নতুন শক্তির মাপকাঠি।


এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার মেট্রোরেলে যাত্রীর টিকিট পরীক্ষা হয় স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে। ঢোকা বা বের হওয়ার সময় যাত্রীকে টিকিট ছোঁয়াতে হয় অথবা জমা দিতে হয় যন্ত্রে।
কথা ছিল, প্রতি এক লাখ যাত্রীর মধ্যে একজন প্রথম চেষ্টায় বিফল হবেন। কিন্তু বিফল হওয়ার ঘটনা ঘটছে প্রতি এক লাখে দেড় হাজারের মতো যাত্রীর ক্ষেত্রে।
রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পথে নির্মাণ হওয়া মেট্রোরেল ব্যবস্থায় এমন ৪৫ ধরনের ত্রুটি ও ঘাটতি পেয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
কোম্পানিটির কর্মকর্তারা বলছেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজগুলো যথাযথভাবে করেনি, কিংবা চুক্তি অনুসারে যতটুকু কাজ করার কথা ছিল, তা হয়নি।
ডিএমটিসিএল সূত্র জানিয়েছে, মেট্রোরেলের সংকেত ও টেলিযোগাযোগ কাজে ১০ ধরনের ত্রুটি ও ঘাটতি পেয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৈদ্যুতিক কাজের মধ্যে ত্রুটি ও ঘাটতির সংখ্যা ১৬ ধরনের। উড়ালপথ ও অবকাঠামো নির্মাণসংক্রান্ত পুরকৌশল কাজে পাওয়া গেছে ১০ ধরনের ত্রুটি ও ঘাটতি।
আর মেট্রোরেলের ট্রেন এবং এর সঙ্গে যুক্ত ব্যবস্থায় মোট ত্রুটি ও ঘাটতি পাওয়া গেছে ৯ ধরনের।
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের খবর- Journalists trapped in legal maze অর্থাৎ আইনি জটিলতার ফাঁদে বন্দি সাংবাদিকরা।
ঢাকায় জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কমপক্ষে ২৯৬ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী এখনো বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে আছেন। এসব মামলা মূলত প্রতিবাদে সহিংসতা ও নিহতদের মৃত্যুকে ঘিরে করা হয়েছে।
দেশের ২৭টি জেলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, ২২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।
আরও অন্তত ১১২ জনকে ভাঙচুর ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, কারণ অনেক মামলার বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি।
এ পর্যন্ত ১৮ জন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলাগুলোর বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, জুলাইয়ে যারা নিহত হয়েছেন তাঁদের আত্মত্যাগ এখন বিচারের বদলে রাজনৈতিক সংঘর্ষের অংশে পরিণত হয়েছে।

