
দীর্ঘ সংলাপের পর জুলাই জাতীয় সনদ চূড়ান্ত হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য এখনো কাটেনি। ফলে স্বাক্ষরের নির্ধারিত তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দলগুলোর মতভেদ কমাতে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে সব দলের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত।
প্রথমে ১৫ অক্টোবর সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সনদ স্বাক্ষরের ঘোষণা দেওয়া হলেও পরে তা শুক্রবারে পেছানো হয়, যাতে সাধারণ জনগণও অংশ নিতে পারে। সূত্র বলছে, মূল কারণ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দ্বিধা দূর করা।
দলগুলোর সঙ্গে দুই ধাপের সংলাপের ভিত্তিতে তৈরি ৮৪ দফার জুলাই সনদে প্রত্যেক দলের “নোট অব ডিসেন্ট” বা আপত্তিও অন্তর্ভুক্ত আছে।
বামপন্থী দলগুলো—সিপিবি, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদ—ঘোষণা দিয়েছে যে তারা আপত্তিসহ সনদে স্বাক্ষর করবে না, আর বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি প্রভৃতি দল স্বাক্ষরে নীতিগতভাবে রাজি থাকলেও চূড়ান্ত ভাষ্য ও বাস্তবায়ন প্রস্তাব দেখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে।


দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- July Charter: Next parliament may get 90-120 days for implementation, অর্থাৎ জুলাই সনদ: বাস্তবায়নের জন্য আগামী সংসদকে ৯০ থেকে ১২০ দিন সময় দেওয়া হতে পারে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী সংসদকে তিন থেকে চার মাসের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব বিবেচনা করছে।
গতকাল এক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে কমিশন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দেওয়া সুপারিশগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে, যার মধ্যে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাবও রয়েছে।
কমিশন রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে একটি ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিশেষ আদেশ’ জারি করার সুপারিশ করতে পারে, যার অধীনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
তবে গণভোটের তারিখ বা প্রশ্ন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কমিশনের সদস্যদের মতে, জনগণের কাছে প্রশ্ন রাখা হতে পারে—রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের আলোচনায় অর্জিত ঐকমত্য জনগণ সমর্থন করে কি না।
এছাড়া কমিশন সুপারিশ করতে পারে যে আগামী সংসদ আইন প্রণয়নের পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংবিধান সংস্কারের কাজ করবে।

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে- জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজন করতে হলে নির্বাচন কমিশনের জন্য প্রস্তুতিতে অন্তত দেড় মাস প্রয়োজন, যেমন ১৫ হাজার স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য নির্বাচনি সামগ্রী সরাসরি ক্রয়ে সংগ্রহ করা, ভোটকক্ষ প্রায় ৫০ হাজার বৃদ্ধি করা এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার সংখ্যা দুই লাখ বাড়ানো।
ভিন্ন দিনে নির্বাচন ও গণভোট হলে এসব অতিরিক্ত প্রস্তুতির প্রয়োজন পড়ে না; বিদ্যমান ভোটকেন্দ্র ও সামগ্রী ব্যবহার করেই আয়োজন সম্ভব। একাধিক দিনে ভোট হলে ব্যালট প্রিন্ট করতে ১৫ দিন লাগলেও, একই দিনে হলে ব্যালট প্রিন্টিংয়ে এক মাস সময় লাগে। তবে একই দিনে দুটি ভোট আয়োজন করলে ব্যয় কমে, আর ভিন্ন দিনে করলে ব্যয় অনেক বেড়ে যায়।
এ তথ্য ইসির কর্মকর্তাদের পর্যালোচনায় উঠে এসেছে; তবে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তেমন কিছু বলা হয়নি।
ইসির কর্মকর্তারা গণভোট আয়োজনের জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ তৈরির প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছেন, যাতে প্রতিটি কাজ কখন সম্পন্ন হবে তার সময়সীমা নির্ধারিত থাকবে। তবে রাজনৈতিক ঐকমত্য না হওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করা থেকে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে কমিশন।
রাজনৈতিক দলের মধ্যে গণভোট আয়োজনের সময় নিয়ে মতপার্থক্য থাকায় ইসি বিতর্কে জড়াতে বা মন্তব্য করতে রাজি নয়, এবং প্রস্তুতিমূলক কাজ সংক্রান্ত কোনো নথি এখনও তৈরি হয়নি।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ রোববার যুগান্তরকে বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। সিদ্ধান্ত আসার পর আমরা আমাদের অবস্থান জানাতে পারব।”

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- Foreign firms to operate 3 terminals under Ctg Port for up to 30 years; deals by December অর্থাৎ, ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের তিনটি টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদে চুক্তি।
দেশের আমদানি-রপ্তানির ৯২ শতাংশ পরিচালনাকারী চট্টগ্রাম বন্দরের অধীনে থাকা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি কোম্পানির হাতে দেওয়ার চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার, যা নিয়ে রাজনৈতিক দল ও স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আজ (১২ অক্টোবর) রাজধানীতে এক সেমিনারে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, চট্টগ্রামের লালদিয়া ও নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত পাঙ্গাঁও টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরদের হাতে পরিচালনার জন্য চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।
তিনি বলেন, “এর মধ্যে লালদিয়া টার্মিনাল ৩০ বছরের জন্য এবং বাকি দুটি কনটেইনার টার্মিনাল ২৫ বছরের জন্য বিদেশি কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
‘সমুদ্রগামী শিপিং শিল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই সেমিনারটি আয়োজন করে ইকনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)।

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০টি মামলায় ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। এসব মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক মন্ত্রী, সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তা, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শকসহ মোট ৯৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা ১০টি মামলার আসামিদের মধ্যে শেখ হাসিনাসহ রাজনীতিবিদ ১৮ জন, সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তা ২৫ জন, পুলিশের সাবেক সদস্য ৩৮ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ৪ জন ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী ৮ জন এবং চিকিৎসক ১ জন। আসামিদের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২১ জনকে, পলাতক আছেন ৫৮ জন এবং সেনা হেফাজতে আছেন ১৫ জন।
গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২৫ মে থেকে ৮ অক্টোবরের মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে যেসব মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, তার মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলা আটটি। আর দুটি মামলা আওয়ামী লীগের (এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ) শাসনামলে সংঘটিত গুম-নির্যাতনের ঘটনায় করা।

গতকাল রোববার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।
সেনাসদর সংবাদ সম্মেলন করলেও বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনালকে জানানো হয়নি জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কাছে যেহেতু আনুষ্ঠানিকভাবে ডকুমেন্টারি পদ্ধতিতে কেউ বলেননি যে আটক রাখা হয়েছে, মিডিয়াতে যেটা এসেছে, আমরা সেটা আমলে নিচ্ছি না। যেহেতু আমরা জানি না, তাই এ বিষয়ে আমি মন্তব্য করব না। আমাদের যদি বলা হয় যে আটক রাখা হয়েছে, তাহলে আইন অনুযায়ী তাকে অবশ্যই আদালতের কাছে আনতে হবে। এটাই বিধান।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তিনটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া ২৫ কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন এখনো সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন।
তাদের মধ্যে একজন বাদে বাকি ১৪ জনকে এবং অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) থাকা একজনকে হেফাজতে নেওয়ার কথা গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো: হাকিমুজ্জামান।
বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের দুটি এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনার একটি মামলায় গত ৮ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমসংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে একসঙ্গে এতজন সেনা কর্মকর্তাকে বেসামরিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা একটি বিরল ঘটনা।
এই পদক্ষেপকে অনেকেই স্বাগত জানালেও, বিষয়টি নিয়ে গুজব ও নানা আলোচনায় জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাটি সেনা সদস্যদের মনোবলে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে, তবে তারা সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকবে। সেনাপ্রধানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “আমরা ন্যায়ের পক্ষে আছি, ইনসাফের বিষয়ে কোনো আপস নয়।”

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- লুইজিয়ানাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান আর্জেন্ট এলএনজি চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে জানায়, প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রে বছরে ২ কোটি ৫০ লাখ টন সক্ষমতার একটি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করছে। তারা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি অ-বাধ্যতামূলক চুক্তি (নন-বাইন্ডিং এগ্রিমেন্ট) স্বাক্ষর করেছে, যার আওতায় বাংলাদেশ প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে পারবে।
এ চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরের পর ফেব্রুয়ারিতে জাপান সফর করেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান। টোকিও ও ওসাকায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও বিডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ইনভেস্ট বাংলাদেশ রোড শো ২০২৫। এপ্রিলে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধি দলে যোগ দিয়ে কাতারের দোহায় যান বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান। সেখানে তিনি বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও শিল্প উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে বক্তব্য দেন।
জুলাইয়ে চৌধুরী আশিক চীনের সাংহাইয়ে বিডার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেন। সেখানে বাংলাদেশ-চায়না ইনভেস্টমেন্ট সেমিনার ২০২৫-এ প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, টেক্সটাইল ও আইটি খাতে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

নিউ এইজ পত্রিকার আজকের খবর- Poor funding handicaps research at public univs, অর্থাৎ অর্থের অভাবে গবেষণায় পিছিয়ে পড়ছে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।
এই খবরে বলা হচ্ছে- দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ পায় না, ফলে গবেষণার সংখ্যা ও মান—দু’টিই সীমিত থেকে যাচ্ছে।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে তহবিল ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা। যে সামান্য অর্থ তারা গবেষণার জন্য পায়, সেটিও অনেক সময় যথাযথভাবে ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।
শিক্ষক ও গবেষকরা বলছেন, জ্ঞানচর্চা ও সমাজের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ধারণা পেতে গবেষণা অপরিহার্য। এটি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সমাজকেও উপকৃত করে।
কিন্তু সীমিত বাজেটে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেসব গবেষণা করছে, সেগুলোর মান বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানসম্মত নয় এবং সমাজে কোনো বাস্তব প্রভাব ফেলতে পারছে না, বলছেন তারা।
তাদের আরও মন্তব্য, সরকারের পক্ষ থেকে গবেষণার জন্য বরাদ্দ ধীরে ধীরে বাড়ানো হলেও, এখনও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

এই খবরে বলা হচ্ছে- মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, চিকিৎসা-ভাতা বাড়ানোসহ তিনদফা দাবিতে বেসরকারি শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচিতে লাঠিপেটা, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়েছে পুলিশ।
গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা। দুপুরে লাঠিচার্জ, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আন্দোলনরত শিক্ষকদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।
একই সঙ্গে সোমবার থেকে সারা দেশের সব বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। ওই কর্মসূচিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি’র দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহসহ নেতারা সংহতি প্রকাশ করেন।
