
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-জাপানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও নিবিড় করতে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) নিয়ে আলোচনা চলছে আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে।
চলতি বছর চুক্তিটি সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ নিয়ে প্রস্তাবিত চুক্তির প্রতিশ্রুতি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে দেয়া প্রতিশ্রুতির মতোই শুল্ক সুবিধার দাবি করা হচ্ছে জাপানের পক্ষ থেকে।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেছেন, ‘বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নিয়ম অনুযায়ী একপক্ষীয়, দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ যদি নির্দিষ্ট কোনও পণ্যে শুল্ক ছাড় দেয়; এরপর বাংলাদেশ কোনও দেশের সঙ্গে এফটিএ বা ইপিএ করার ক্ষেত্রে সেই দেশও একই ধরনের সুবিধার দাবি করতে পারে।’
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চুক্তির আওতায় শুল্ক সুবিধা পেতে দেশটিকে একাধিক আমদানি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কৃষিপণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— খুনের ৫২ শতাংশ মামলায় সব আসামি খালাস।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে খুনের ঘটনায় যত মামলা হয়, তার মধ্যে অর্ধেকের বেশি মামলায় শেষ পর্যন্ত আসামিদের কোনও সাজা হয় না।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশনের (পিবিআই) ‘হত্যা মামলার সাজার হার কম হওয়ার কারণ অনুসন্ধান’ শীর্ষক গবেষণাতেই এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। চলতি বছরের মে মাসে এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে পুলিশের এই ইউনিট।
মূলত চারটি কারণে খুনের ঘটনায় করা অর্ধেকের বেশি মামলার আসামিরা খালাস পান বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।
এর মধ্যে বাদী ও বিবাদীর সমঝোতার কারণে সবচেয়ে বেশি মামলার আসামিরা খালাস পান।
মামলার এজাহারের দুর্বলতা, তদন্তে ত্রুটি, তদন্তে দীর্ঘ সময় নেয়া, তদন্ত কর্মকর্তার অদক্ষতা ও প্রভাবিত হওয়া; এজাহার, সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মিল না থাকা, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে অসংগতি, রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো, সাক্ষীদের আদালতে হাজির করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতা, সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানো, জবানবন্দি সঠিকভাবে না নেয়াসহ বিভিন্ন কারণে আসামিরা খালাস পাচ্ছেন।
এছাড়া, বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণেও অনেক ক্ষেত্রে আসামি খালাস পেয়ে যান।
পিবিআইয়ের গবেষণায় ২৩৮টি খুনের মামলা পর্যালোচনা করা হয়েছে।
এসব মামলার রায় হয়েছে ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে। মামলাগুলো হয়েছিল ১৯৮৬ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে।

এতে বলা হয়েছে, শুধু মত দেয়া-নেয়ার জন্য বৈঠক আর দীর্ঘায়িত করতে চায় না জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
বরং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলো এবং ঐকমত্য কমিশনের মধ্যকার ঐক্যকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত ঐকমত্যে না এলে ‘চাপিয়ে দেয়া’র মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন।
সেক্ষেত্রে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আপত্তি আর আমলে না-ও নেয়া হতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ এবং নিজেদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সনদ বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা দিয়ে সমাধানে পৌঁছাতে চায় কমিশন।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে জনপ্রশাসনের সাংগঠনিক কাঠামোয়।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গঠন করা হচ্ছে সুপিরিয়র এক্সিকিউটিভ সার্ভিস (এসইএস)। বিভিন্ন ক্যাডার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এই সার্ভিসে যোগ দেয়া যাবে।
উপসচিব থেকে সচিবের সব পদ এসইএসের অধীনে থাকবে।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদের নাম পরিবর্তনসহ সংস্কার কমিশনের ১০ সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নেও গত জুলাইয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে চিঠি দেয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
সেই নির্দেশ অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে সরকার কীভাবে গড়া যায়, সেই হিসাব আর কৌশল ঠিক করছে রাজনৈতিক দলগুলো।
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের বৈতরণি পার হতে চায় বিএনপি। এজন্য তাদের সঙ্গে জোট অথবা আসন ছাড়েরও পরিকল্পনা আছে দলটির।
বিএনপির কাছে মিত্রদলগুলো শতাধিক আসন দাবি করেছে। তবে মিত্রদলগুলোর কাছ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা চেয়েছে বিএনপি।
মিত্র কয়েকটি দলের একাধিক নেতা তালিকা নিয়ে আবার লন্ডনেও গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে।
এদিকে, সবগুলো আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও কমপক্ষে ২০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় জামায়াতে ইসলামী। সমমনাদের জন্য সর্বোচ্চ ১০০টি আসনে ছাড় দেয়ার বিষয়ে প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়েছে দলটি।
এছাড়া, এনসিপির কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে , বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দুটি দলই এনসিপিকে জোটসঙ্গী হিসেবে চায়।
গত দুই সপ্তাহের মধ্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে জামায়াত ও বিএনপির পৃথক দুটি বৈঠক হয়েছে।
এসব বৈঠকে জোটের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়নি বা সিদ্ধান্ত আসেনি।
দীর্ঘদিন ধরে বামপন্থীদের বৃহত্তর ঐক্য তৈরিতে তৎপর রয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ বেশ কিছু বামপন্থী দল।
নানাভাবে চাপে থাকা জাতীয় পার্টিও জোট ও সমঝোতার আলোচনা থেকে বাদ পড়ছে না।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে এবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সংস্থাটি সম্প্রতি গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের কাছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান ও সাবেক ১৮ কর্মকর্তা এবং দুই ভারতীয় নাগরিকসহ মোট ২০ জনের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে।
চিঠিতে অভিযুক্তদের পাসপোর্ট, এনআইডি নম্বর, দায়িত্বকাল ও দায়িত্বের পরিধি এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এ তালিকায় এমন সব ব্যক্তির নাম রয়েছে, যারা রিজার্ভ চুরির সময় সরাসরি দায়িত্বে ছিলেন অথবা নীতি শিথিলতার সুযোগে অর্থ লোপাটের পটভূমি তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

Poor pay, allowances of teachers affect education; শিক্ষকদের অল্প বেতন-ভাতা শিক্ষায় প্রভাব ফেলছে। ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান খবর এটি।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসকে ঘিরে আজ রোববার আরও বিভিন্ন পত্রিকা দেশের শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে শিক্ষকদের পে-স্কেল, সুযোগ-সুবিধা ও সামাজিক মর্যাদা কম হওয়ায় শিক্ষা খাতে প্রভাব পড়ছে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা।
তারা বলেছেন যে, বেতন ও সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি শিক্ষকরা প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে রয়েছেন।
এদিকে, বেতন ও বিভিন্ন ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদেরকে প্রায়ই সড়কে আন্দোলন করতে দেখা যায়।
বেতন কম হওয়ায় বেশিরভাগ শিক্ষক তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য অন্য কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত হন, যার ফলে পাঠদানে তাদের প্রচেষ্টা কমে আসে।
শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের মতে, একটি দেশ সেই শিক্ষকদের কাছ থেকে মানসম্মত শিক্ষা আশা করতে পারে না, যারা এই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়।

এতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে হামাস সম্মতি জানানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় হামলা বন্ধে ইসরায়েলকে নির্দেশ দেন।
কিন্তু তার নির্দেশ মানেনি তেল আবিব। বরং গতকাল রাতে গাজায় ভারী বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা মেনে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে রাজি হওয়ার কথা জানিয়েছিল হামাস, তবে কিছু বিষয়ে আলোচনা করতে চায় তারা।
এ নিয়ে হামাসের দেয়া বিবৃতিকে ইতিবাচকভাবে নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি লেখেন, হামাসের সদ্য প্রকাশিত বিবৃতির ভিত্তিতে আমি বিশ্বাস করি তারা একটি স্থায়ী শান্তির জন্য প্রস্তুত। ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ করতে হবে, যেন আমরা জিম্মিদের নিরাপদে দ্রুত বের করে আনতে পারি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ১৯৯৫ সালে সরকার মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারীদের চাকরি দশম গ্রেডে উন্নীত করে। এটি নন-ক্যাডার সার্ভিসের সর্বোচ্চ পদ।
কিন্তু অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও সংস্থার একই পদ ও যোগ্যতার কর্মচারীদের এই গ্রেড দেয়া হয়নি।
এ নিয়ে অর্থাৎ সরকারি চাকরিতে বৈষম্য নিরসনের দাবি তুলে দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মীরা আন্দোলন করে আসছেন।
এতে কেউ কেউ সফলও হয়েছেন। যেমন নার্স, পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর; সর্বশেষ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের চাকরি দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়।
আবার যারা সরকারি চাকরিপ্রার্থী যেমন বিএসসি প্রকৌশল শিক্ষার্থীরাও এই গ্রেডে চাকরির পরীক্ষা দিতে আন্দোলন করছেন। এই গ্রেড ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য সংরক্ষিত।
উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে এরশাদ সরকারের আমলে প্রণীত জনবল কাঠামো অনুযায়ী চলছে সরকারের মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও দপ্তর।
গত ৪২ বছরে কয়েক দফা উদ্যোগ নেয়া হলেও জনবল কাঠামো হালনাগাদ করতে পারেনি সরকার।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরোনো কাঠামো দিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

