
এতে বলা হয়েছে, কয়েকটি ইস্যুতে সমঝোতা না হওয়ায় দুই রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদের এক হওয়ার আলোচনা ভেস্তে গেছে।
মূলত, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে জটিলতায় একীভূত হচ্ছে না।
যদিও দল দু’টির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কিছু বলছেন না।
একীভূত হওয়ার বিষয়ে সম্প্রতি দুইদলের শীর্ষ নেতারা বসেছিলেন। বৈঠক শেষে তারা ইতিবাচক বার্তা যেমন দিয়েছিল; তেমনি উভয় দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা প্রকাশ্যে বা আভাসে একীভূত হওয়ার বিরোধিতা করেন।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান মানবজমিনকে বলেন, এনসিপির কিছু নেতাকর্মী নিজেদের মতো করে বক্তব্য দিচ্ছেন। তারা বলতে চাইছেন গণঅধিকার পরিষদ হয়তো এনসিপিতে জয়েন করবে। গণঅধিকার পরিষদ এনসিপিতে জয়েন করবে না।
তিনি আরও বলেছেন, তবে তারা (এনসিপি) ও আমরা মিলে একটি বড় কিছু করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে, আমরা বড় একটি পার্টি হবো। সম্প্রতি তাদের কিছু নেতাকর্মী বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। যেটা খুবই অসম্মানজনক।
তারা যদি এক হতে চায় আমাদের আন্তরিকতা থাকবে— এ কথাও যোগ করেন রাশেদ খান।
অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন মানবজমিনকে বলেন, এনসিপি’র কারও সঙ্গে যাওয়ার কোনও প্ল্যান নেই। কেউ যদি এনসিপিতে আসতে চায় সেটাকে আমরা সবসময় স্বাগত জানাই। গণঅধিকার পরিষদ এনসিপিতে আসতে চেয়েছিল।
সব মিলিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে একীভূত হওয়ার বিষয়টি একেবারেই ক্ষীণ বলে জানিয়েছেন তিনি।

এতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছর ২০২৫-২৬-এ মাঝারি থেকে বড় বন্যার আশঙ্কা করছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
এই বন্যার সম্ভব্য ক্ষতির হিসাবও বের করা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ বলছে, গত ৪০ বছরের বন্যাজনিত ক্ষতির গড় হিসাব অনুযায়ী এই বন্যায় ভৌত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে জিডিপির ৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের সামষ্টিক-আর্থিক ঝুঁকি’ সংক্রান্ত অর্থ বিভাগের এক পর্যবেক্ষণে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব মতে, গত ছয় বছরে (২০১৬-২০২১) প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশে গড়ে প্রতি বছর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ছিল জিডিপির ১ দশমিক ৩২ শতাংশ।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে বাজেট ঘাটতি এবং সরকারের ঋণ ও ব্যয় বাড়তে পারে, এমনটা বলছে অর্থ বিভাগ।
অর্থ বিভাগের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনায় বাংলাদেশে প্রতি বছর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৩০০ কোটি ডলারের অধিক। একই সাথে দুর্যোগের কারণে প্রতি বছর ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৬৩ লাখ মানুষ।

এই খবরে বলা হয়েছে, বছরের পর বছর গুদামে ওষুধ মজুত রেখে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং ব্যবহারের অনুপযোগী করে ফেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
অথচ এই ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়ার জন্য বরাদ্দ।
রোগী এলে বলা হয়, ওষুধের সরবরাহ নেই। তখন বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য হন রোগী বা তাদের স্বজনেরা।
আবার হাসপাতালে ভর্তি রোগীকে বরাদ্দের অর্ধেক খাবার দেওয়া হয়, যা অনেক ক্ষেত্রেই নিম্নমানের খাবার।
অভিযোগ থাকা দেশের ৩৭ জেলার ৬৪ হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পৃথক অভিযান ও গোপন অনুসন্ধান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তাতেই ওপরের তথ্যগুলো উঠে এসেছে। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সাত ধরনের অনিয়ম পেয়েছে সংস্থাটি।
যার মধ্যে আরও রয়েছে, অতিরিক্ত ফি আদায়, রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করা, পরিচ্ছন্ন চাদর ও বিছানা না দেওয়া , কেনাকাটা ও নিয়োগে অনিয়ম এবং দায়িত্বে অবহেলা ইত্যাদি অভিযোগ।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক) নিবন্ধনের আওতায় আনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
শিল্প মন্ত্রণালয় প্রণীত ‘ইলেকট্রিক ভেহিকল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৫’-এর খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কর্তৃক নির্ধারিত মান ও টেস্টিং সম্পন্ন করে’ ইজিবাইকের নিবন্ধন দেয়া হবে।
শিল্প মন্ত্রণালয় ছাড়াও থ্রি-হুইলার নিবন্ধন দিতে পৃথক একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), যার শিরোনাম, ‘বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫’।
এর অন্যতম উদ্দেশ্য মহাসড়কে বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার চলাচল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করা।
বিদ্যুচ্চালিত মোটরযান নিবন্ধন ও চলাচলের জন্য ২০২৩ সালে বিআরটিএ’র করা নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলারকে (ব্যাটারিচালিত রিকশা কিংবা ভ্যান ব্যতীত) বিদ্যুচ্চালিত মোটরযান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছিল।
বিআরটিএর বর্তমান এ উদ্যোগের মধ্যেই ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার নিয়ে নীতিমালা করতে উদ্যোগী হলো শিল্প মন্ত্রণালয়।
বিদ্যুচ্চালিত মোটরযান শিল্পের প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে ইলেকট্রিক ভেহিকল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়নের কথা জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এ নীতিমালায় ‘বিপুলসংখ্যক’ ইজিবাইক নিবন্ধন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারাদেশের হাসপাতালের মেঝেতে প্রতিদিন ১২ হাজার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। সেই হিসাবে বছরে মেঝেতে চিকিৎসা নেয় প্রায় ৪৪ লাখ রোগী।
তার মধ্যে শুধু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দিনে গড়ে দুই হাজার রোগী মেঝেতে চিকিৎসা নেয়। একই চিত্র ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাসপাতালের করিডর বা মেঝেতে থাকা রোগীদের রোগজীবাণুতে সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
কারণ, করিডর বা মেঝে ফাঁকা না থাকায় বেশিরভাগ সময় জীবাণুমুক্ত করা হয় না। এতে এক রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে অন্য রোগ নিয়ে বাড়ি ফিরছে রোগী।
এছাড়া, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও শয্যার অভাবে দিনে আরও কয়েক হাজার রোগী ভর্তি হতে পারে না।
এদিকে, দেশে গত পাঁচ বছরে সরকারি হাসপাতালগুলোতে শয্যাসংখ্যা ৩৫ হাজার বেড়ে দ্বিগুণের বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৭২ হাজার হলেও শয্যাসংকট কাটছে না।
তবে বেশিরভাগ উপজেলা হাসপাতালে সারা বছরই শয্যা ফাঁকা থাকছে। মূলত বেশিরভাগ রোগীর চাপ তৈরি হচ্ছে বড় শহর ও ঢাকার হাসপাতালগুলোতে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমানের মতে, আরও ১৫ হাজার শয্যা বাড়ানো ছাড়া মানসম্পন্ন চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়।
এজন্য অতিদ্রুত ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও তা বাস্তবায়নে তিন থেকে পাঁচ বছর লাগবে।

এই খবরে বলা হচ্ছে, বিভিন্ন দেশের শান্তিকামী মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীরা অবরুদ্ধ গাজার মানুষের কাছে খাদ্য, ওষুধসহ জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় চেপে সেখানকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল।
কিন্তু এই নৌবহরের জাহাজগুলো আটকে দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। একইসঙ্গে ইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ ৪৪৩ কর্মীকে আটক করেছে।
এই কারণে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারলেও ফ্লোটিলা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি করেছে, নাড়া দিয়েছে বিশ্ববিবেককেও।
মানবিক এই উদ্যোগ আটকে দেয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার ফ্রান্স, গ্রিস, ইতালি, জার্মানি, তিউনিসিয়া ও তুরস্কে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে।
পাকিস্তান, বলিভিয়া ও মালয়েশিয়া থেকেও ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের সমালোচনা উঠেছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, আটক কর্মীদের যেন কোনও ক্ষতি না হয়, সেটাই প্রধান অগ্রাধিকার।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক ইসরায়েলকে জরুরিভাবে গাজার অবরোধ তুলে নিয়ে জীবন রক্ষাকারী উপকরণ প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক বলেছেন, গাজার মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছানো বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, খাগড়াছড়িতে সাম্প্রতিক সংঘর্ষ ও হত্যার ঘটনায় তিনটি মামলা করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দুটি গুইমারা থানায়, আরেকটি সদর থানায়।
এসব মামলায় অজ্ঞাত এক হাজারের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি সদর সিংগীনালাতে পাহাড়ি এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে।
এর প্রতিবাদে জুম্ম ছাত্র-জনতার ব্যানারে পাহাড়ে অবরোধ ডাকা হয়।
এর মধ্যে গত রোববার বিক্ষোভ ও সহিংসতায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় খাগড়াছড়ি সদর ও গুইমারার রামেসু বাজার।
সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
সেখানে স্থানীয় একটি পক্ষও সংঘর্ষে যোগ দেয়। এ সময় গুলিতে তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত হন অনেকে।
রামেসু বাজার এলাকায় আগুন দেয়া হয় প্রায় অর্ধশত বসতবাড়ি ও ৪০টির মতো দোকানপাটে।
এদিকে, খাগড়াছড়ির ওই কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দিয়েছে মেডিকেল বোর্ড। তবে এ প্রতিবেদনের বিষয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন কিশোরীর বাবা।

মনোযোগ জুলাই সনদে, আছে নির্বাচনী ঐক্যের চিন্তাও— আজ প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে বড় দলগুলো মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় এর সমাধান খুঁজতে গণতন্ত্র মঞ্চসহ ৯টি রাজনৈতিক দলের উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
গণতন্ত্র মঞ্চের ছয় দলের বাইরে আরও তিনটি দল এ নিয়ে কাজ করছে।
বিষয়টি নিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চ ইতোমধ্যে আটটি দলের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠক করেছে। এর মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি দলের শীর্ষ নেতা ইতোমধ্যে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আলোচনার জন্য যোগাযোগ করেছেন।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে একটা ঐকমত্যে আসা যায় কি না, সেই বিষয়টির ওপরই মূল মনোযোগ থাকছে এসব আলোচনায়।
তবে দলগুলোর অনানুষ্ঠানিক এ আলোচনায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকেন্দ্রিক সম্ভাব্য মেরুকরণসহ নানা সমীকরণ নিয়ে পারস্পরিক ধারণাও বিনিময় হচ্ছে।
বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে নির্বাচনী ঐক্যের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে।
গণতন্ত্র মঞ্চে থাকা গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি জানালেন, নির্বাচনি জোট সম্প্রাসরণ এবং আরও বৃহত্তর আসন সমঝোতা— দুইটি ভাবনাই তাদের মধ্যে রয়েছে।

Tigresses off to flying start; ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর এটি। এতে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানকে সাত উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা বিশ্বকাপ শুরু করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করা পাকিস্তান স্কোর বোর্ডে তুলতে পারে মাত্র ১২৯ রান। মারুফা আক্তার, নাহিদা আক্তাররা প্রতিপক্ষকে এই অল্প রানে গুটিয়ে তৈরি করেন জেতার ভিত।
লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ১১৩ বল হাতে রেখেই জিতেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
এর মধ্যে রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিংয়ে ঝলক দেখান। বাঁহাতি এই ব্যাটার ৭৭ বলে ৮ চারে অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংসে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এই খবরে বলা হয়েছে, নিবন্ধনের জন্য বিবেচিত হওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে প্রতীক বেছে নিতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গত মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বচর) নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ নতুন দল নিবন্ধন নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত জানানোর পর ওইদিনই এনসিপিকে চিঠি দিয়েছে কমিশন।
যেখানে বলা হয়েছে, এনসিপি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল, যা প্রাথমিক পর্যালোচনায় গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে।
দলটির আবেদনপত্রে পছন্দের প্রতীকের ক্রমানুযায়ী শাপলা, কলম ও মোবাইলের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৯(১) অনুযায়ী প্রার্থীর অনুকূলে বরাদ্দের জন্য নির্ধারিত প্রতীকের তালিকায় ‘শাপলা’ অন্তর্ভুক্ত নেই। তাই দলটির কাঙ্ক্ষিত প্রতীক শাপলা বরাদ্ধ দেওয়া যাচ্ছে না।
এমন অবস্থায় ইসির দেওয়া প্রতীকের তালিকা থেকে এখনও বরাদ্দ হয়নি, বরাদ্দযোগ্য এমন ৫০টি প্রতীকের মধ্য থেকে একটি প্রতীক পছন্দ করে ৭ অক্টোবরের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

