
আজ শুক্রবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রগুলো জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পক্রিয়া নিয়ে দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য, এ নিয়ে সরকারও বেকায়দায়— এ সংক্রান্ত সংবাদ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। এছাড়া, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশিত হয়েছে।
40 extrajudicial killings during interim govt, অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিচারবহির্ভূত ৪০টি হত্যাকাণ্ড। ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজের খবর এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, চব্বিশের ৯-ই অগাস্ট থেকে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে। এর মধ্যে ১১ জন গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার মানবাধিকার সংস্থা অধিকার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে এই তথ্য।
অধিকারের তথ্য অনুসারে, এই ৪০ জনের মধ্যে ১৯ জনকে গুলি, ১৪ জনকে নির্যাতন এবং সাতজনকে নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এছাড়া, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে কারাগারে কমপক্ষে ২৭ জন মারা গেছেন, তাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৩ মাসে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮-এ।
চব্বিশের অগাস্ট থেকে পঁচিশের সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কমপক্ষে ৩৫ জন বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে, যার মধ্যে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে নিহত হয়েছেন ১০ জন।
গত মে মাস থেকে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ভারত কমপক্ষে দুই হাজার ৩৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করেছে বলেও মানবাধিকার সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু হয়েছে ৪৬ জনের, তাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে এই সংখ্যা ২৮১-এ পৌঁছেছে।
গত বছরের অগাস্ট থেকে পঁচিশের সেপ্টেম্বরের মধ্যে কমপক্ষে ৬৮৭ জন মেয়ে ও নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে ভুক্তভোগীর এই সংখ্যা ১৮৮।
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের ক্ষমতাচ্যুতির পর গতবছর ৮ অগাস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গত সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্তত ১৫৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি বলেছে, জুলাই সনদে সইয়ের সময় যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল, পরে মুদ্রিত পুস্তকে এর কয়েকটি দফায় অগোচরে বদল করা হয়েছে।
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের দিন জুলাই সনদের চূড়ান্ত কপি কারও সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। পরে ছাপানো পুস্তকের কপিতে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সম্মত কয়েকটি দফা আমাদের অগোচরে ফের সংশোধন করা হয়।
এভাবে সংশোধনের কারণে প্রায় এক বছর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা অর্থহীন হয়ে পড়েছে। এটি অর্থ ও সময়ের অপচয়, প্রহসনমূলক এবং জাতির সঙ্গে প্রতারণা। যা শুধু জাতিকে বিভক্ত করবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের এমন অবস্থান তুলে ধরেন।
জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর অগোচরে নেওয়া সংশোধনের বিষয়গুলো তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরকারি-বেসরকারি অফিসে টাঙানো-সংক্রান্ত বিধান অনুচ্ছেদ ৪(ক) বিলুপ্ত করার বিষয়টি সনদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। যদিও প্রায় সব রাজনৈতিক দল এতে সম্মতি দিয়েছিল।
এছাড়া, সংবিধানের ১৫০(২) অনুচ্ছেদ (পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম তপশিল) পুরোপুরি বিলুপ্ত করার বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব বিষয়ে প্রায় সব রাজনৈতিক দল সম্মতি দিলেও অগোচরে সেটা চূড়ান্ত সনদে সংশোধনী আনা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত ছিল না; আলোচনার জন্য উপস্থাপিত হয়নি। কিন্তু সুপারিশে কীভাবে এলো সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ।

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে গণভোটের সময় এবং আদেশ জারির এখতিয়ার প্রশ্নে আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর বিভক্ত হওয়ার কথা ওঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দ্রুত আদেশ বাস্তবায়ন দেখতে চায় জামায়াত ও এনসিপি। তবে আদেশ জারির এখতিয়ার সরকারের নেই বলে দাবি বিএনপির।
আর নির্বাচনের আগে গণভোট চাচ্ছে জামায়াত;বিএনপি ও এনসিপি চায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে গণভোট হোক।
এছাড়া, সনদ নিয়ে সরকারকে কমিশনের দেওয়া সুপারিশ নিয়ে বিএনপির আপত্তি তো আছেই।
দলগুলোর এমন অনৈক্য অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে।
এখন কীভাবে বিষয়গুলো সামাল দিয়ে দ্রুত সনদের আদেশ জারি করা যায়, তা নিয়ে বেকায়দায় সরকার।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
তিনি বলেছেন, ‘প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্যের মধ্যে যে অনৈক্যের সুর দেখছি, এটা হতাশাব্যঞ্জক। এই তীব্র বিরোধের মধ্যে কীভাবে সমঝোতার দলিল পাস হবে, এটা খুব দুরূহ একটা চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে এনে দিয়েছে।’
গণভোট কবে হবে এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসই সিদ্ধান্ত দেবেন বলে জানান আসিফ নজরুল।
যেখানে বলা হয়েছে, সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।
এ ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোট করার বিষয়টিও গভীরভাবে চিন্তা করছে বলে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

উভয়সংকটে বিএনপি— প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া সংস্কার বাস্তবায়নের কিছু সুপারিশের কড়া সমালোচনা করলেও প্রত্যাখ্যান করার মতো অবস্থান নিতে পারছে না বিএনপি।
দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সূত্র ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের সময়সীমা সামনে রেখে সংস্কার বাস্তবায়নের সুপারিশগুলো বিএনপিকে এমন এক বেকায়দায় ফেলেছে— না পারছে মেনে নিতে, আবার প্রত্যাখ্যানও করতে পারছে না।
কারণ, প্রত্যাখ্যান করলে নির্বাচন বানচালের অজুহাত এবং বিএনপিকে ‘সংস্কারবিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ নিতে পারে প্রতিপক্ষরা।
আর মেনে নিলে বিএনপির জন্য রাজনৈতিক পরাজয় হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।
এ নিয়ে স্পষ্ট এক রাজনৈতিক টানাপোড়েনে পড়েছে বিএনপি।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কমিশনের সুপারিশ নিয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে স্থায়ী কমিটির নেতাদের কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে।
তারা এখনো এ সংকট থেকে বের হওয়ার কৌশল ঠিক করতে পারেনি।
তবে বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা এখনই অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে সংযমী অবস্থান নিয়ে ধীরে ধীরে সরকারের ওপর পাল্টা চাপ তৈরির কৌশল নেওয়ার কথা ভাবছেন।

এই খবরে বলা হয়েছে, প্রচণ্ড তাপজনিত কারণে শ্রম উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ায় গত বছর ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সম্ভাব্য ক্ষতি হয়েছে বাংলাদেশের। টাকার অঙ্কে যা দুই হাজার ৪০০ কোটি। যা দেশের জিডিপির ৫ শতাংশ।
একই সময়ে তাপজনিত কারণে দুই হাজার ৯০০ কোটি সম্ভাব্য কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়েছে, যা ১৯৯০-এর দশকের তুলনায় ৯২ শতাংশ বেশি।
এই ক্ষতির সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে কৃষি খাতে। মোট ক্ষতি হওয়া সময়ের ৬৪ শতাংশই কৃষি খাতের শ্রমিকদের।
তাপমাত্রা বাড়ার ফলে বেড়েছে গরমজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ১৯৫১ থেকে ১৯৬০— এই ১০ বছরের তুলনায় ২০১৫ থেকে ২০২৪-এ ডেঙ্গু সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়েছে ৯০ শতাংশ।
‘দ্য ল্যানসেট কাউন্টডাউন অন হেলথ অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ’-এর সদ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক সংকটের এমন চিত্র উঠে এসেছে।
গত বছর দেশে গড়ে প্রত্যেক ব্যক্তি ২৮.৮ দিন করে তাপপ্রবাহের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ১৩.২ দিন কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘটেছে।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশে বায়ুদূষণকে এখনো অকালমৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
২০২২ সালে মানবসৃষ্ট বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে দুই লাখ ২৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা ২০১০ সালের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি।

এতে বলা হয়েছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশ নিতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
ইতোমধ্যে দলের শীর্ষপর্যায় থেকে তৃণমূলে এ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
তবে জোট না হলেও নির্বাচনি কৌশল হিসেবে অভিন্ন এজেন্ডা এবং রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে।
ইতোমধ্যে অন্তত ১৭০টি আসনে দলটি তাদের প্রার্থীর একটি খসড়া তালিকা তৈরি করেছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব বলেছেন, কোনও দলের সঙ্গে জোটে না গিয়ে স্বতন্ত্র অবস্থানে থাকার বিষয়ে বেশিরভাগ নেতাকর্মী মতামত দিয়েছেন।
এদিকে অবশ্য এনসিপিকে নিজেদের নির্বাচনি জোটে পেতে বিএনপি ও জামায়াত থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা দলটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির এক যুগ্ম-আহ্বায়ক বলেছেন, নিজেদের সঙ্গে জোট না করলেও এনসিপি যাতে কোনোভাবেই জামায়াতের জোটে যোগ না দেয়, সেজন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বিএনপি।
এজন্য দলটির পক্ষ থেকে ঢাকার বেশ কয়েকটি আসনসহ অন্তত ২০টিতে সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বরাদ্দযোগ্য প্রতীক নিয়ে চলা নানা আলোচনার মধ্যেই গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও চারটি প্রতীক যুক্ত করে আবার প্রজ্ঞাপন জারি করে কমিশন।
সেই চার প্রতীকের একটি হচ্ছে ‘শাপলা কলি’।
যা এনসিপি’র চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়েই তালিকায় যুক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা।
কিন্তু তাতেও সংকট নিরসন হচ্ছে না।
এনসিপির নেতারা বলছেন, শাপলা কলিতে হবে না। তাদের শাপলাই লাগবে।

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে বানচাল করতে দেশে ভয়ঙ্কর নাশকতা ঘটতে পারে বলে গোয়েন্দারা আশঙ্কা করছেন।
গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে নাশকতাসহ বিভিন্ন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি চক্রান্ত চলছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের ইপিজেড ও রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে যে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, দু’টিতেই নাশকতার আঁচ পাওয়ার কথা জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বিনিয়োগ খরার কারণে সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন, যা দশমিক ১ শতাংশে নেমেছে।
এমনকি কভিডকালের চেয়েও এ সময়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
কভিডের সময় বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগে দশমিক ২ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, সুদের হার বৃদ্ধি, কাঁচামালের দামে ঊর্ধ্বমুখিতা এবং জ্বালানি সংকটের কারণে বর্তমানে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে ভরসা পাচ্ছেন না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অদূর ভবিষ্যতে দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ না বাড়লে অর্থনীতির গতি শ্লথ থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)।
দেশের বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধিও এখন কভিডের সময়ের তুলনায় কম। চলতি বছরের অগাস্টে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
এই ঋণ প্রবৃদ্ধিকে ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন বলে আখ্যায়িত করেছে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)।

