
ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে অতীতের কালো ছায়া— সমকালের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সময় দেশের ক্রিকেটে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমঝোতার নির্বাচন দেখা গেছে। বিসিবির নির্বাচন এবার যে তার ব্যতিক্রম হচ্ছে তা বলা যাচ্ছে না।
বরং দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির আসন্ন নির্বাচন বড় বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
যদিও রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ক্রীড়া সংগঠকরা আশা করেছিলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ক্রিকেটে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।
তবে, জেলা, বিভাগ, ক্লাব ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কাউন্সিলর মনোনয়নের জন্য বিসিবির চিঠি দেওয়ার দিন থেকে নির্বাচনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে।
এর মধ্যে পরিস্থিতি জটিল রূপ নেওয়ার আগে তামিম ইকবাল নেতৃত্বাধীন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের পক্ষ থেকে ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হয়।
তবে ক্লাব ক্যাটাগরিতে পরিচালকের পদ ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা ভেস্তে যায়।
সর্বশেষ গতকাল বুধবার সরকারের হস্তক্ষেপে পাতানো নির্বাচনের অভিযোগ তুলে বিএনপি তামিম ইকবালের প্যানেল ভোট থেকে সরে গেছে।
ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে তামিমসহ ১৩, সব মিলিয়ে ১৫ পরিচালক প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় ‘সরকার সমর্থিত’ আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পক্ষের বেশিরভাগ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের প্রেস ব্রিফিংয়ে তামিম ইকবাল বলেন, ‘আপনারা জিততেও পারেন, হারতেও পারেন। তবে আজকে ক্রিকেট শতভাগ হেরে গেছে। আপনারা বড় গলায় বলেন, বাংলাদেশে ফিক্সিং বন্ধ করা লাগবে, আগে নির্বাচনের ফিক্সিং বন্ধ করেন। পরে ক্রিকেটের ফিক্সিং বন্ধ করার চিন্তা করেন।’

এই খবরে বলা হয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি (নোট অব ডিসেন্ট) জানিয়েছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। বিষয়গুলো বাস্তবায়নের কথা জুলাই জাতীয় সনদের চূড়ান্ত ভাষ্যের অঙ্গীকারনামায় ছিল না।
কারও কারও দ্বিমত থাকা এই বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি কীভাবে হবে, তার উল্লেখ না থাকায় প্রশ্ন তুলেছে কয়েকটি দল।
এমন অবস্থায় চূড়ান্ত ভাষ্য সংশোধন করে নোট অব ডিসেন্ট বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী দলের ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি যুক্ত করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে জুলাই সনদের পটভূমিতে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৯ সালে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগের ‘লগি-বৈঠার তাণ্ডবের’ ধারাবাহিকতায় এক-এগারো হওয়া, স্বৈরাচারী শাসকের স্থলে ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা’ কথাগুলো প্রতিস্থাপনসহ বেশ কয়েকটি বিষয় সংযোজন হচ্ছে।
এছাড়া সংশোধিত চূড়ান্ত ভাষ্যে স্বাধীন পুলিশ কমিশনের কাঠামো ও ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত এক দশকে শতাধিক শিল্পী-কলাকুশলী ও তারকা বিদেশে স্থায়ী হয়েছেন, যা দিন দিন বাড়ছে।
কারণ হিসেবে তারা বলছেন, উন্নত জীবন, নিরাপত্তা, বেশি আয় এবং দেশে কাজের সুযোগ কমে যাওয়া।
তবে জুলাই আন্দোলনের পরও কাজে বাধা ও অনিরাপদ বোধ থেকে অনেকের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইউরোপ-আমেরিকায় যাওয়ার পর এসব শিল্পী নিজের প্রতিষ্ঠিত পেশা বদলে ভিন্ন পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করেছেন।
মোটাদাগে দুইবার দল বেঁধে শিল্পীদের দেশ ছাড়ার ঘটনা লক্ষ করা গেছে।
এর মধ্যে আমেরিকার অভিবাসননীতিতে শিল্পী, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মীদের জন্য ভিসাপ্রাপ্তি সহজ হলে গত দশকের মাঝামাঝি সময়ে শিল্পীদের দেশ ছাড়ার হিড়িক পড়েছিল।
করোনা মহামারির পরও ঢাকার শোবিজে কাজ কমে যাওয়ায় অনেকে দেশ ছেড়েছেন।
গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরও অনেক শিল্পীকে দেশ ছাড়তে দেখা গেছে

এতে বলা হয়েছে, দেশের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটছে না। এর মধ্যে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, যা নিরসনে নেই কার্যকর পরিকল্পনা। আবার তারল্য সংকটে থাকায় ব্যাংকগুলো চাহিদা অনুযায়ী ঋণ দিতে পারছে না।
এছাড়া, কয়েক বছর ধরে সুদের হারও ঊর্ধ্বমূখী থাকায় উদ্যোক্তাদের মধ্যে একধরনের অনিশ্চয়তা ও আস্থাহীনতা বিরাজ করছে। তাই তারা নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে হাত দিচ্ছেন না। ফলে প্রবৃদ্ধির হারেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না।
এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্থিতিশীল ছিল। শিল্পোৎপাদন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী এবং প্রধান পণ্যের মূল্য হ্রাস পাচ্ছে।
এই প্রান্তিকে দেশীয় অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতির হার লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে না আসা এবং দেশের দুর্বল মুদ্রা।

এতে বলা হয়েছে, মৌলিক সেবা, দুর্নীতি, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের দাবিতে গত এক বছরে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার রাস্তায় যেভাবে তরুণরা রাষ্ট্রক্ষমতাকে কাঁপিয়ে তুলেছে, সেই ঢেউ এবার আঘাত হানলো আফ্রিকার দেশগুলোতেও।
পানি ও বিদ্যুতের দীর্ঘমেয়াদি সংকটের বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভের মুখে গত সোমবার মাদাগাস্কারে প্রেসিডেন্ট আন্দ্রি রাজোয়েলিনা মন্ত্রিসভা ভেঙে দেন।
জেনজিদের আন্দোলনের মুখে মহাদেশটিতে সরকার পতনের ঘটনা এটাই প্রথম।
মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়াতেও সন্তুষ্ট নয় আন্দোলনকারীরা। প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ চায় তারা।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নীতি-গবেষণা সংস্থা কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী এসব আন্দোলন সাময়িক প্রতিক্রিয়া নয়; বরং দীর্ঘদিনের বৈষম্য, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতা, রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি প্রজন্মের সম্মিলিত প্রতিরোধের বহিঃপ্রকাশ।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নতুন অর্থবছরের শুরুতে, অর্থাৎ ১ অক্টোবর ২০২৫ এর আগে সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত বিলটি সিনেটে পাস না হওয়ায় স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি তহবিল বন্ধ হয়ে গেছে।
ফলে জরুরি সেবা ব্যতীত অন্যান্য সরকারি কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
মার্কিন সিনেটে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বাজেট বিল নিয়ে তীব্র মতবিরোধের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে শাটডাউন সাধারণত এক থেকে পাঁচ দিন স্থায়ী হয়, তবে ১৯৯০-এর দশকে এবং ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এর সময়কাল বেড়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই শাটডাউনকে সরকারি খাতের আকার কমানোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টেও শাটডাউনের বিষয়টি জানানো হয়েছে।
তারা বলেছে, জরুরি নিরাপত্তা তথ্য ব্যতীত তাদের অ্যাকাউন্ট নিয়মিত আপডেট করা হবে না, তবে পাসপোর্ট ও ভিসা সেবা অব্যাহত থাকবে।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি সংবাদের শিরোনাম— ডাক্তারি পরীক্ষার প্রতিবেদন ছবিসহ প্রকাশ, বাবার ক্ষোভ।
কয়েকদিন ধরে দেশে বেশ আলোচিত ঘটনা খাগড়াছড়িতে কিশোরীকে ধর্ষণ ইস্যু সংক্রান্ত প্রতিবেদন এটি।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, খাগড়াছড়ির ওই কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি বলে মেডিকেল বোর্ড যে প্রতিবেদন দিয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন কিশোরীর বাবা।
তিনি আদালতের মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা চান।
কিশোরীর বাবা মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘প্রতিবেদনটি পুলিশের কাছে যাওয়ার আগে কীভাবে লোকজনের হাতে হাতে ছড়িয়ে পড়ল? এটা নিয়ে আমি আতঙ্কিত। যে প্রতিবেদন দুই দিনে পাওয়ার কথা, সেটি পেতে এত দিন সময় লাগল কেন? আমার কিশোরী মেয়ে এখনো ট্রমার মধ্যে আছে, তার ছবিসহ প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। এতে সঠিক বিচার পাব কি না, শঙ্কায় আছি।’
তিনি আরও বলেন, ছবিসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করে দেওয়া মানে মেয়ের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেওয়া।
গত মঙ্গলবার রাতে জেলা সিভিল সার্জনের কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হয়।
এদিকে, জুম্ম ছাত্র-জনতা অবরোধ স্থগিত করায় খাগড়াছড়িতে চার দিন পর গতকাল বুধবার যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
অবরোধ স্থগিত হলেও গতকাল বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হয়নি।

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গিয়ে ‘জিটিও’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে বলেছেন, দলটির কার্যক্রমের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা সেটা সাময়িক, যেকোনো সময় তুলে নেওয়া হতে পারে।
এই বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তার সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘উনি (প্রধান উপদেষ্টা) যেটা বলেছেন সেটা থিউরিটিক্যাল (তাত্ত্বিক) কথা বলেছেন। আমি যতটুকু বুঝতে পারি থিউরিটিক্যালি যখন একটি দলের কার্যক্রম ব্যান্ড করা হয়। তখন সেটা পারমানেন্ট কি পারমানেন্ট না একটা প্রশ্ন থাকে। বাস্তবিক অর্থে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধটা উইথড্র হবে এরকম কোনো সম্ভাবনা আমি দেখছি না।’
অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তা তুলে নেয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল বুধবার দুপুরে বরিশালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আইন উপদেষ্টা।

Ctg Port to enforce increased tariffs from 15 Oct amid businesses’ concerns; অর্থাৎ ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে বর্ধিত ট্যারিফ আদায় শুরু ১৫ অক্টোবর থেকে। ইংরেজি পত্রিকা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার খবর এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, নৌপরিবহন উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে এক মাস স্থগিত থাকার পর আগামী ১৪ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে বর্ধিত ট্যারিফ (মাশুল) আদায় শুরু হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তাদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৪ অক্টোবর রাত ১২টার পর বন্দরে আসা সব জাহাজ, কনটেইনার ও কার্গোর বিল নতুন হারে নেওয়া হবে। সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধিসহ সব ব্যবহারকারীকে বাড়তি মাশুল দিতে হবে।
তালিকাভুক্ত শিপিং এজেন্টদের তফসিলি ব্যাংকে বাড়তি হারে অর্থ জমা রেখে আসা জাহাজের ছাড়পত্র (এনওসি) নিতে বলা হয়েছে।
এর আগে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুসারে ২৩টি খাতে বর্ধিত মাশুল আদায় শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে খরচ বেড়ে যায় সর্বোচ্চ ৪১ শতাংশ পর্যন্ত।
বন্দরের ৫২টি খাতের মধ্যে ২৩টিতে মাশুল বাড়ানোর আগে এশিয়ার ১০টি ও আন্তর্জাতিকভাবে ১৭টি বন্দরের কার্যক্রম ও ট্যারিফ পর্যালোচনা করা হয়।
প্রায় ৪০ বছর পর মাশুল বৃদ্ধির এ সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীরা রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা জানিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন। পরে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন এক মাসের জন্য মাশুল আদায় স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত দেন।
