
এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে আগামী সপ্তাহে দুই ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন।
ভোটে অংশ নিতেই তারা তফসিল ঘোষণার আগেই পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। তাদের পদত্যাগের বিষয়টি ইতোমধ্যে মৌখিকভাবে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়েছে।
এ পদত্যাগকে কেন্দ্র করে উপদেষ্টা পরিষদে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে।
বিভিন্ন সূত্র বলছে, তারা বিএনপির ছেড়ে দেওয়া আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন।

এই খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সারাদেশে জেলার এসপি পদে পদায়ন হওয়া বিসিএস ২৪ ব্যাচ থেকে দুই, ২৫ ব্যাচের ৪২ জন এবং বাকিরা ২৭ ব্যাচের।
এর মধ্যে জ্যেষ্ঠ বিবেচনায় বিসিএস ২৪ ও ২৫ ব্যাচের কর্মকর্তাদের লটারি না হওয়ায় তদবিরে অনেকেই পছন্দের জেলায় গেছেন বলে পুলিশে কানাঘুষা শুরু হয়েছে।
এরই মধ্যে অভিযোগ উঠেছে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ লোকজন পুলিশের কিছু কর্মকর্তার পক্ষে তদবির করেছেন।
আবার কেউ কেউ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভালো অবস্থায়ও ছিলেন বলে তথ্য এসেছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হওয়ার পর তারাও পরিবর্তন হয়ে সুবিধা নিচ্ছেন।
ইতোমধ্যে এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যাদের বিভিন্ন জেলায় পুলিশ সুপার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে কারও কারও অভিজ্ঞতা কম রয়েছে।
এ কারণে একাধিক জেলা ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় তাদের দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। যেসব জেলা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ সেগুলোতে আওয়ামী লীগের সমর্থক বেশি।
তাছাড়া, বেশিরভাগ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবস্থাও ভালো নয়।
এদিকে, লটারি করার ছবি প্রকাশ না করায় গুঞ্জন উঠেছে আসলে কি লটারি হয়েছে?
মাস দুয়েক আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নিজ কার্যালয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন, সবার সামনে (সাংবাদিকসহ) লটারি করা হবে।

এই খবরে বলা হয়েছে, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকদের আন্দোলন, কর্মবিরতি ও শ্রেণিকক্ষে অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে ক্ষতির মুখে পড়ছে শিক্ষার্থীরা।
এই সংখ্যাটা প্রায় দুই কোটির মতো।
বর্তমানে যারা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে আছে তাদের বড় অংশের মধ্যেই করোনাকালীন শিখন ঘাটতি রয়েছে।
এর মধ্যে আবার শিক্ষকদের আন্দোলন ও কর্মবিরতি! ফলে শিক্ষার্থীরা পাঠে মনোযোগ হারাচ্ছে, পিছিয়ে পড়ছে পরীক্ষার প্রস্তুতিতে।
অনেকে তাই কোচিং বা অনলাইন ক্লাসের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। তবে তার সমাধানের প্রক্রিয়া এমন হওয়া উচিত যাতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত না হয়।

দেশে সক্রিয় আরেকটি ফাটলরেখার সন্ধান— প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আরেকটি সক্রিয় ভূগর্ভস্থ ফাটলরেখার (ফল্টলাইন) সন্ধান পাওয়া গেছে। এটি বাংলাদেশের জামালপুর ও ময়মনসিংহ থেকে ভারতের কলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
ফাটলরেখাটির একটি অংশ ভূমিকম্পপ্রবণ, যা বাংলাদেশের ভেতরেও পড়েছে। এটি সর্বোচ্চ ৬ মাত্রার ভূমিকম্প তৈরি করতে পারে, এমন তথ্য উঠে এসেছে ভূমিকম্প নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দলের গবেষণায়।
দেশে দুটি প্রধান ফাটলরেখা থাকার কথা বলে আসছিলেন ভূমিকম্পবিশেষজ্ঞরা। তা হলো ডাউকি ফাটলরেখা এবং ইন্দোবার্মা মেগাথ্রাস্ট।
এর বাইরে সীতাকুণ্ডের উপকূলীয় ফাটলরেখা, মধুপুর, শাহজিবাজার, জাফলং ও কুমিল্লায় ফাটলরেখা রয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য সক্ষম পরিবেশ তৈরিতে ২০১৭ সালে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ৫৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আরবান রিজিলিয়েন্স প্রকল্প হাতে নেয়।
এই প্রকল্পের আওতায় ভূমিকম্পে দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে কেনা ৬০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি তালাবদ্ধ পড়ে আছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ যন্ত্রপাতির মোড়কই খোলা হয়নি। ব্যবহার না করায় সেগুলোর কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে।
প্রকল্পটির আওতায় ১২৫ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা ১০ তলা ভবনটিও দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ। সেখানে জমেছে ধুলোবালি। আশপাশে গজিয়েছে আগাছা।
প্রকল্পটি নেওয়ার সময় বলা হয়েছিল, আরবান সেফটি অ্যান্ড রিজিলিয়েন্স ইনস্টিটিউট (ইউএসআরআই) নামে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হবে।
প্রতিষ্ঠানটির কাজ হবে রাজধানী ঢাকা ও সিলেটের ভবনগুলোর ভূমিকম্প সক্ষমতার মান যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়া। যাতে সরকার সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। পাশাপাশি দেশের অন্য ভবন মালিকরাও যেন এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের ভবনের সক্ষমতা যাচাই করে নিতে পারেন।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Purbachal plot scam: Hasina gets 21yrs in 3 graft cases; অর্থাৎ পূর্বাচলে প্লট জালিয়াতি: তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড। এই সংক্রান্ত খবর ঢাকার অন্য পত্রিকাগুলোও গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ঢাকার পূর্বাচল প্রকল্পে প্লট জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা তিনটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।
তিনটি মামলার প্রতিটিতে আদালত সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
তিন মামলার পৃথক দুটিতে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মামলাগুলোত মোট ২৩ জন আসামি, যার মধ্যে গৃহায়নের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার খালাস পেয়েছেন। বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে।
এদিকে, প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির আরেকটি মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে রায় আগামী ১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে।

এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ঝড়ে পড়ার হার বেশি।
এর জন্য বাল্যবিবাহ প্রবণতা অন্যতম দায়ী বলে উল্লেখ করছেন শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা।
তারা বলেছেন যে, প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগও ঝরে পড়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এছাড়া, মেয়েদের নিরাপত্তার অভাব, দারিদ্র্য, গ্রাম-শহরের বৈষম্য এবং শিক্ষার জন্য উচ্চ ব্যয়কেও ঝরে পড়ার জন্য অন্যান্য কারণ হিসেবে দেখছেন তারা।
সারাদেশে জরিপ চালিয়ে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) করা ‘বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান-২০২৪’ অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরে (ষষ্ঠ-দশম শ্রেণি) ঝরে পড়ার হার ছিল নয় দশমিক নয় শতাংশ, যেখানে মেয়েদের ক্ষেত্রে এই হার ১১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে আট দশমিক এক শতাংশ।
এই পরিসংখ্যানে প্রাথমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিপ্লোমা স্তরে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য নেই।
২০২৩ সালে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীঝরে পড়ার হার ছিল ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ, এক্ষেত্রে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার ছিল ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ; মাধ্যমিক স্তরে ছিল ৩২ দশমিক ৮৫ শতাংশ, মেয়েদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ; উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ২১ দশমিক ৫১ শতাংশ, মেয়েদের ক্ষেত্রে ২২ দশমিক ৪৫ শতাংশ ছিল এই হার।
পত্রিকাটির প্রথম পাতায় Foreign students at univs, medical colleges decrease শিরোনামে আরেকটি খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বিদেশি শিক্ষার্থী।

এতে বলা হয়েছে, পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে দেশে খুন হয়েছে ৩ হাজার ২৩০ জন মানুষ। সেই হিসাবে প্রতিদিন খুন হচ্ছে প্রায় ১১ জন।
চব্বিশের একই সময়ে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে অক্টোবরে খুন হয়েছিল ৩ হাজার ১৭ জন, আর ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫৬৩ জন।
মানে ২০২৪ সালের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে খুন বেড়েছে ৭ শতাংশ, আর দুই বছরের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়েছে ২৬ শতাংশ।
পঁচিশে সবচেয়ে বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে জুলাইয়ে, ৩৬২টি। বিপরীতে সবচেয়ে কম খুন হয়েছে জানুয়ারিতে, ২৯৪টি।
বিভাগওয়ারী হিসাবে সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ঢাকায় এবং কম বরিশাল বিভাগে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক উত্তেজনা, ক্ষমতাকেন্দ্রিক সংঘর্ষ, আধিপত্য বিস্তার এবং পারিবারিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় খুনের সংখ্যা হঠাৎ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্বাচনী এলাকা ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় তিন স্তরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্থির ইউনিটের মাধ্যমে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হবে। এর সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট (স্থায়ী বা মোবাইল) থাকবে।
থাকছে ভ্রাম্যমাণ ইউনিটও; এ ইউনিটগুলো ঘুরে ঘুরে নজরদারি করবে।
আর প্রস্তুত থাকবে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ বা স্ট্রাইকিং ফোর্স, যা প্রয়োজন সাপেক্ষে দ্রুত মোতায়েন করা হবে।
এবার নিরাপত্তার দায়িত্বে ৭ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন। যার মধ্যে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৩-১৮ জন সদস্য মোতায়েন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
ইসি সচিব নিশ্চিত করেছেন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য সামরিক বাহিনী থাকছে। তাদেরকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেয়া বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
এছাড়া, নির্বাচনী ‘ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকির মূল দায়িত্বে ‘লিড মিনিস্ট্রি’ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থাকবে। তারা নীতিমালা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।
অন্যদিকে, সামগ্রিক তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে এনসিপি, এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও আপ বাংলাদেশের সমন্বয়ে ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’ নামে একটি জোট গঠনের আলোচনা চলছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার এই জোটের আত্মপ্রকাশ করার কথা থাকলেও আগেরদিন রাতেই তা স্থগিত করা হয়।
এনসিপির একটি সূত্র জানিয়েছে, গত বুধবার রাতে দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির জরুরি বৈঠকে আপ বাংলাদেশকে জোটে নেয়ার বিপক্ষে অবস্থান নেন নেতাদের একাংশ। প্রস্তাবটি বৈঠকে অনুমোদন না পাওয়ায় আপাতত জোট প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে, প্রস্তাবিত জোটে গণঅধিকার পরিষদকে যুক্ত করারও আলোচনা আছে। তবে, জোটে যুক্ত হওয়া নিয়ে গণঅধিকারের অভ্যন্তরে দু’টি মত রয়েছে।
একপক্ষ চাইছে, বিএনপির সঙ্গে আসন নিয়ে আলোচনা করতে। অন্যপক্ষ এনসিপির সঙ্গে নতুন জোট করার বিষয়ে আগ্রহী।

