
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে এইচএসসিতে উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী স্নাতকে ভর্তি হলেও ২০২৫- ২৬ শিক্ষাবর্ষে উচ্চশিক্ষায় ফাঁকা থাকবে প্রায় ১১ লাখ আসন।
গত ২১ বছরের মধ্যে এবার এই পরীক্ষায় সর্বনিম্ন পাশের হারের কারণে এমন পরিস্থিতির তথ্য জোরালোভাবে সামনে এলো।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সবাই উত্তীর্ণ হলেও উচ্চশিক্ষায় ৬ লাখ আসন ফাঁকা থাকত।
এবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বেশ কিছু কলেজ ও পিছিয়ে পড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ন্যূনতম একজন শিক্ষার্থীও পাবে না।
যাচাইবাছাই ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং পরিকল্পনা ছাড়াই আসন বাড়ানোর ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে আসনসংখ্যা পুনর্বিন্যাসের পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।

এই খবরে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ শিক্ষা , বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার ( ইউনেসকো ) তথ্য অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক দশকে দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।
এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বিগত ৯ অর্থবছরে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বৈধ চ্যানেলে দেশ থেকে বেরিয়ে গেছে প্রায় ৩১১ কোটি ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩০ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা।
শিক্ষার্থীদের দেশ ছাড়ার প্রবণতা বৃদ্ধির কারণ জানতে বিদেশে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থী, বিদেশে পড়তে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে মোটাদাগে পাঁচটি কারণ খুঁজে পাওয়া গেছে।
কারণগুলো হলো মানসম্মত উচ্চশিক্ষার অভাব, কর্মসংস্থানের ঘাটতি ও বেকারত্ব বৃদ্ধি, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উন্নত ভবিষ্যতের হাতছানি এবং নিরাপদ ও আধুনিক জীবনযাত্রার আকাঙ্ক্ষা।
এর সঙ্গে একমত শিক্ষাবিদেরাও। তারা বলছেন, দেশে উচ্চশিক্ষার মান ও গবেষণার সুযোগ এবং কর্মসংস্থান না বাড়লে এই প্রবণতা আরও বাড়বে।
এদিকে আবার সম্প্রতি বিভিন্ন কারণে অনেক দেশের ভিসাপ্রাপ্তিও কঠিন হয়েছে। তাই উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন কঠিন হয়ে পড়েছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে কাটছাঁটের দাবি জোরালো হচ্ছে।
তাতে উপদেষ্টা পরিষদের কে কে পদত্যাগ করবেন আর কারা থাকবেন সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে সরকারের ভেতর ও বাইরে।
এমন অবস্থায় বিদায়ের জন্য উপদেষ্টাদের একটি অংশ মানসিক প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছেন।
পরিস্থিতি যেদিকেই যাক, শেষ বেলায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন অন্তত চার প্রবীণ উপদেষ্টা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে উপদেষ্টাদের সরিয়ে দেওয়ার দাবি নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করবে।
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ভাবনা থেকে জামায়াত ও এনসিপি দাবিটি তুলে থাকতে পারে, এমনটি মনে করছেন কেউ কেউ।
তবে শেষবেলায় বিএনপি কেন এ দাবির সঙ্গে শামিল হলো, এমন প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

এই খবরে বলা হয়েছে, এখনও প্রাক-নির্বাচনী কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী শেষ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বিশেষ করে দল নিবন্ধন, আইন সংশোধনসহ নানা জটিলতা জট বেঁধে আছে।
এসব জট অতি দ্রুত না সরালে ঘোষিত সময়ে নির্বাচন আয়োজন চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অবশ্য কমিশনের বয়ান ভিন্ন। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা কাজ শেষ করতে পারিনি। এটা সত্য। তবে নির্বাচন আয়োজনে কোনও জটিলতা তৈরি হবে না।

এতে বলা হয়েছে, প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ হয়ে কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে।
এছাড়া, আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের দাবি, প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাজ করছেন বিএনপি ও জামায়াতের হয়ে। প্রশাসনের বদলি, পদোন্নতি ও পদায়নের মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিক বিবেচনায় হচ্ছে।
নিরপেক্ষতার প্রশ্নে প্রশাসনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মকর্তাদের নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
এই অভিযোগ দলগুলো থেকে জোরালোভাবে করা হচ্ছে, যখন কি না জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোয় রদবদলের প্রস্তুতি চলছে।
প্রশ্ন ওঠা বেশিরভাগ কর্মকর্তা প্রশাসন ক্যাডারের ‘৮২ ব্যাচের। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই ঘুরেফিরে নানা বিতর্কে সামনে আসছে আলোচিত এ ব্যাচের কর্মকর্তাদের নাম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বিগত সরকারের নীতি অনুকরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধাদ্বন্দ্ব, দৃঢ় পদক্ষেপ না নেয়া, দলীয় আনুগত্য বিবেচনাসহ বেশকিছু কারণে জনপ্রশাসনে সৃষ্টি হয় বিতর্ক।
বিএনপি-জামায়াত জোটের আমলে সরকারঘনিষ্ঠ পদগুলোয় কর্মরতদের বড় অংশকেই দেয়া হয়েছে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। তাদের একটি অংশই আবার প্রশাসন ক্যাডারের ‘৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য আজ শনিবার আদেশ প্রণয়ন চূড়ান্ত করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। যা আগামীকাল সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে এই আদেশ জারি করা হলে সেটি হবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি।
এই ভিত্তি না থাকায় এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি। আদেশ জারি করা হলে এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে বলে দলটির শীর্ষ এক সূত্র জানিয়েছে।
এছাড়া, আইনি ভিত্তি দেয়ার শর্তে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে জামায়াত।
এদিকে, নির্বাচনের পথে বাধা অপসারণ বিবেচনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ব্যাপারে বিএনপি জোরালো কোনও আপত্তি করবে না জানা গেছে।
আর ঐকমত্য কমিশনও এ বিষয় নিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে চাইছে না।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গত অগাস্টে দেশের বিভিন্ন জেলায় কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে সেখানকার অবস্থা দেখেছেন পত্রিকাটির প্রতিবেদকরা।
তাদের অনুসন্ধানে ওঠে আসে, অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকের গ্লুকোমিটার কাজ করে না। কিছু কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যকর্মী নেই। কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে টাকা দিয়ে ওষুধ কিনতে হয়, এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে।
কোনও কোনও কমিউনিটি ক্লিনিকের ছাদ ও দেয়াল খসে পড়ছে। কোনোটিতে আবার যাওয়া-আসার রাস্তা নেই। কোনোটিতে জোয়ারের পানি ঢোকে। বর্ষায় পানির সাথে ঢোকে সাপও।
এমনকি কমিউনিটি ক্লিনিক দখলের ঘটনাও রয়েছে।
সব মিলিয়ে বাস্তবতা হলো, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে মানুষ ঠিকমতো সেবা পাচ্ছে না।
জনস্বাস্থ্যবিদ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াটারএইড দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি খায়রুল ইসলাম বলেছেন, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে মানুষকে প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত সেবা দেওয়া দরকার। এতে মানুষের স্বাস্থ্য ব্যয় কমবে। ক্লিনিকগুলোর সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা বাড়ালে ছোটখাটো দুর্বলতা দূর হবে। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ও কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

Cox’s Bazar ‘International’ Airport status suspended before first flight; অর্থাৎ ফ্লাইট ওড়ার আগেই স্থগিত হলো কক্সবাজার ‘আন্তর্জাতিক’ বিমানবন্দরের ঘোষণা। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, ঘোষণার পর ফ্লাইট ওড়ার আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের ‘আন্তর্জাতিক’ স্ট্যাটাস স্থগিত করা হয়েছে। দুয়েকদিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ‘আন্তর্জাতিক বিমান উড্ডয়ন কমিটি’র সভাপতি গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নুর-ই-আলম গতকাল শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান,’কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সরকার তা স্থগিত করেছে।’
উল্লেখ্য, গত ১২ অক্টোবর কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। গত কয়েকদিন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়েও বাংলাদেশ বিমানসহ অন্যান্য এয়ারলাইন্স প্রস্তুতিও নিচ্ছিল।
এরই মধ্যে ‘আন্তর্জাতিক’ ঘোষণার ওপর স্থগিতাদেশ এলো।

