
এতে বলা হয়েছে, দেশের বেশ কয়েকটি কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশিদের হাতে ছেড়ে দিচ্ছে সরকার।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হলে বছরে ৩৩ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডল করা চট্টগ্রাম বন্দরের ৬০ শতাংশ কনটেইনারই ভবিষ্যতে হ্যান্ডল করবে বিদেশি প্রতিষ্ঠান।
তবে চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ না করে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিষয়টিকে অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে এর বিরোধিতা করছে বিভিন্ন সংগঠন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনা নিয়ে বিদেশিদের সঙ্গে কেন এমন অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চুক্তি হচ্ছে, সেটাই বড় প্রশ্ন।
বন্দরে বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাছাই করার আগে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা উচিত বলে তারা মনে করেন।
টার্মিনালে বিদেশি অপারেটর এলেও তারা কত টাকা বিনিয়োগ করবে, তা প্রকাশ করা হয়নি। বিদেশি প্রতিষ্ঠান শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকার কী ব্যবস্থা নেবে; বিদেশি অপারেটর এলে দেশের আমদানি-রপ্তানি ব্যয় কতটা সাশ্রয়ী হবে— এসব বিষয়ে কিছুই প্রকাশ করেনি সরকার।

১৫ মাসে ২৬টি নতুন রাজনৈতিক দল – প্রথম আলোর একটি খবরের শিরোনাম এটি। এ খবরে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত ১৫ মাসে দেশে কমপক্ষে ২৬টি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।
বেশিরভাগ দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান হয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে। আবার কোনও দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান হয়েছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।
এর মধ্যে ৬টি দলের নামের মধ্যে কোনও না কোনোভাবে ‘জনতা’ শব্দ রয়েছে।
নতুন দলগুলোর মধ্যে ১৯টি ইসিতে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। তবে নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে এনসিপি এবং বাংলাদেশ আম-জনগণ পার্টি।
নতুন ২৬টি দলের প্রতিটির সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রথম আলো। এর মধ্যে এনসিপি ছাড়া বেশিরভাগ দলের কার্যালয় এক বা দুই কক্ষের। আবার ঠিকানায় গিয়ে কয়েকটি দলের কার্যালয় পাওয়া যায়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া, আত্মপ্রকাশের পর দলের নাম পরিবর্তনের ঘটনাও রয়েছে।
ডেসটিনি গ্রুপের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীনের নেতৃত্বে গত ১৭ এপ্রিল আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি। এক মাস পর দলটির নাম বদলে রাখা হয় ‘বাংলাদেশ আম-জনগণ পার্টি’।

এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে পাশের দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে দেশে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র প্রবেশ করছে।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ রোধে বিজিবি সদর দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরে বিজিবি সদর দপ্তর থেকে দেশের সব সীমান্তের কর্মকর্তাদের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
কড়া নজরদারির পরও সীমান্তের ফাঁক গলে দেশে প্রবেশ করছে অবৈধ অস্ত্র।
পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্র অনুযায়ী, সীমান্তের অন্তত ১৮টি পয়েন্ট দিয়ে দেশে আগ্নেয়াস্ত্র প্রবেশের তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা।
এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা, যশোর, কুমিল্লা, কক্সবাজার সীমান্ত বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পাহাড়ি অঞ্চল আর সাগরপথ দিয়েও অস্ত্র নিয়ে আসা হচ্ছে।
এসব সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন পণ্যের আড়ালে ছোট ছোট অস্ত্র আনা হচ্ছে।

সােমবার বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত অধিকাংশ দৈনিকের প্রধান শিরােনামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আজ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা হবে – সে খবরটি প্রাধান্য পেয়েছে।
ICT to deliver judgment on Hasina today; অর্থাৎ আজ হাসিনার মামলার রায় দেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল – ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম এটি। এ খবরে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে হওয়া মামলার রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে আজ সোমবার।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল -১ এই রায় ঘোষণা করবেন ।
মামলার অপর দুই আসামি হচ্ছেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
এর মধ্যে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হয়েছেন।
এই মামলায় তাদের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশন এই মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে।
চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এটিই প্রথম মামলা, যেটির রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে আজ।

হাই অ্যালার্ট— মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি। এই খবরে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘিরে সারাদেশে অঘোষিত হাই অ্যালার্ট জারি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ঢাকাসহ সারাদেশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঢাকা ও আশপাশের বেশ কয়েকটি জেলায় বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দা, বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।
রায় ঘিরে পুলিশের প্রত্যেকটি অপারেশনাল ও গোয়েন্দা ইউনিটকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
বিশেষ করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, ঝটিকা মিছিল এবং তারা যাতে কোনোভাবে ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে-স্থাপনায় আগুন দিয়ে নাশকতা করতে না পারে সেদিকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
পাশাপাশি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সুপ্রিম কোর্ট, ট্রাইব্যুনাল, প্রধান উপদেষ্টাসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাসস্থান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা নজরদারি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নাশকতাকারীকে গুলির নির্দেশ ডিএমপির— দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি। এ খবরে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনারের পর এবার ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী ওয়্যারলেস সেটে নির্দেশ দিয়েছেন যানবাহনে যারা আগুন ও ককটেল হামলা করবে, তাদের সরাসরি গুলি করতে পারবে পুলিশ।
এই বার্তা আসার পর বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) উদ্বেগ জানিয়ে সঙবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, সন্দেহভাজন অপরাধীকেও আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া হত্যা বা গুলি চালানোর নির্দেশ ‘কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’।
বিষয়টি নিয়ে ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ওয়্যারলেসে বলেছি যে কেউ বাসে আগুন দিলে, ককটেল মেরে জীবনহানির চেষ্টা করলে তাকে গুলি করতে। এটা আমাদের আইনেই বলা আছে।’
এদিকে, শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা রাজধানীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
রায় ঘিরে কিছুদিন ধরে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ, সগক অবরোধ, যানবাহনে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে যে পরিমাণ রেডিওথেরাপি যন্ত্র রয়েছে তার মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্তের মাত্র ১২ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ সেবা পায়। সে হিসাবে ক্যান্সার আক্রান্তের ৮৭ শতাংশই রেডিওথেরাপি সুবিধার বাইরে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেটে ক্যান্সার নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়েছে। যা প্রকাশিত হয়েছে চলতি বছর।
গবেষণা প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই সবচেয়ে কম রেডিওথেরাপি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে বগুড়ার টিএমএসএস ক্যান্সার সেন্টারের কনসালট্যান্ট ডা. মো. তৌছিফুর রহমান বলেন, ‘অধিকাংশ ক্যান্সারেই রেডিওথেরাপি দেয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে এ সুবিধা আমাদের দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই।’
দেশে প্রতি বছর কী পরিমাণ ক্যান্সারের রোগী শনাক্ত হচ্ছে তার সুনির্দিষ্ট কোনও পরিসংখ্যান নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসা গবেষকরা।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রতি ১০ শিশুর মধ্যে চারজনের রক্তেই ‘উদ্বেগজনক’ মাত্রার সীসা পাওয়া গেছে।
এছাড়া, ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ৩৮ শতাংশ এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের প্রায় ৮ শতাংশের দেহে সিসার উপস্থিতি নিরাপদ মাত্রার চেয়ে বেশি।
এর মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ৬৫ শতাংশের দেহে এই মাত্রাতিরিক্ত সিসা পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপে এ তথ্য ওঠে এসেছে। যা প্রকাশ করা হয়েছে গতকাল।
জরিপে বলা হয়েছে, সিসা দূষণ শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে হুমকি সৃষ্টি করে। আক্রান্ত শিশুদের অর্ধেকের বেশি ধনী এবং ৩০ শতাংশ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর।

$20m lifeline to reopen 15 Beximco mills by December under global partnership; অর্থাৎ ২০ মিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক অংশীদারিত্বে ডিসেম্বরের মধ্যে ফের চালু হচ্ছে বেক্সিমকোর ১৫টি কারখানা – দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, বেক্সিমকো টেক্সটাইলের ১৫টি কারখানা নয় মাস বন্ধ থাকার পর ডিসেম্বরে পুনরায় চালু হতে পারে।
এজন্য প্রাথমিকভাবে ২০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে জাপানভিত্তিক রিভাইভাল গ্রুপ, যা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইকোমিল্লির অর্থায়ন। বিদেশি প্রতিষ্ঠান দুইটি মূলত প্রবাসীদের।
বন্ধের আগে বেক্সিমকো টেক্সটাইলের কাছে জনতা ব্যাংক এবং অন্যান্য ঋণদাতারা প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা পাওনা ছিল।
কেবল জনতা ব্যাংকই পেত প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা পাওনা ছিল। যা এখনও অপরিশোধিত।


নিউ এইজের প্রধান সংবাদের শিরোনাম— Survey shows dire state of children। এ খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০২৫’-এর প্রাথমিক ফলাফলে নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা ও সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগজনক চিত্র ওঠে আসার কথা বলা হয়েছে।
দেশে বর্তমানে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৯ দশমিক ২ শতাংশ শিশুশ্রমে নিযুক্ত, যা ২০১৯ সালে ছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।
দেশে এখন ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বাল্যবিবাহের হার ৫৬ শতাংশ। যা ২০১৯ সালে ছিল ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি দুটি মেয়ের মধ্যে একটি মেয়ে বাল্যবিবাহের শিকার হচ্ছে।
বাল্যবিবাহের হার কমলেও কিশোরী বয়সে সন্তান জন্মদানের হার বেড়েছে। ২০১৯ সালে প্রতি এক হাজার কিশোরীর মধ্যে জন্মহার ছিল ৮৩, যা ২০২৫ সালের জরিপে বেড়ে ৯২ হয়েছে।
জরিপ অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার ৮৪ শতাংশ এবং নিম্ন মাধ্যমিকে প্রায় ৬০ শতাংশ।
তবে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এই হার প্রায় ৫০ শতাংশে অপরিবর্তিত রয়েছে।
দেশে সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে শিশু জন্মের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শহরাঞ্চলে ৫৬ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ৫০ শতাংশ শিশুর জন্ম হচ্ছে সিজারিয়ানের মাধ্যমে।
