এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সপ্তাহ তিনেক পর টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। তার আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে খেলতে না যাওয়ার ঘোষণার অচলাবস্থা কাটাতে ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকায় আসছেন আইসিসির প্রতিনিধিরা। তারা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে শনিবার দেখা করবেন।
ক্রিকইনফো জানাচ্ছে, আলোচনার অংশ হিসেবে আইসিসির প্রতিনিধি দল বিসিবিকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানাবেন। এ প্রতিনিধিদের স্বাধীন মূল্যায়নও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে ভারত সরকারের দিক থেকেও বা মাধ্যম হয়েও আইসিসির প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।
‘নিরাপত্তা উদ্বেগে’র কারণ জানিয়ে বিসিবি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক ভারতে খেলতে বাংলাদেশ দলকে পাঠাবে না, বোর্ডের এমন অবস্থান আবারও আইসিসিকে জানানোর পর সবশেষ অবস্থা এটি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক এবং আলোচনার পর; এটিই প্রথমবারের মতো দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সামনাসামনি দেখা হবে নিরাপত্তা বিষয়ে কথা বলতে।
১৩ জানুয়ারির ভার্চুয়াল বৈঠকে, বিসিবি গ্রুপ সি-তে থাকা বাংলাদেশকে ভারতের বাইরে সরিয়ে নিতে বলেছিল আইসিসিকে। তবে ক্রিকইনফো বলছে, আইসিসি জানিয়েছে মূল সময়সূচি পরিবর্তন করবে না। কারণ আসর শুরু ৭ ফেব্রুয়ারি, একমাসেরও কম সময় বাকি। উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলার কথা রয়েছে।
একটি স্বাধীন নিরাপত্তা সংস্থা দিয়ে যাচাই করা এবং ইএসপিএন-ক্রিকইনফোর করা বিশ্বকাপের জন্য ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে খেলা দলগুলোর জন্য হুমকি মাঝারি-উচ্চমাত্রার থাকতে পারে। তবে ‘অংশগ্রহণকারী দলগুলোর উপর সরাসরি হুমকির মতো কোন তথ্য নেই’।
ভারতে বাংলাদেশের খেলতে না যাওয়ার ঘটনার শুরু মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়া নিয়ে। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে কেকেআর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেয়া বাংলাদেশি পেসারকে ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেয় ভারতের সরকার। জেরে একই কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশও ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপে খেলা প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলে এবং জানিয়ে দেয় নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের বাইরে বিশ্বকাপ খেলতে চায় লাল-সবুজের দল। এরপর থেকে একের পর এক ঘটে চলেছে নাটকীয়তা।



