শান্তুনু কর, জলপাইগুড়ি: চাষের জমিতে কেটে রাখা ধানের মধ্যে থেকে বেরিয়ে হাত! আর তা সরাতেই একেবারে আঁতকে ওঠার মতো ঘটনা। জড়ো করে রাখা ধানের মধ্যে লুকানো মহিলার মৃতদেহ। চারপাশে ছড়িয়ে চাপ চাপ রক্ত। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ি মহকুমার পূর্ব আলতাগ্রাম প্রধান পাড়াতে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়েই ছুটে আসে স্থানীয় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ আধিকারিকরা। কীভাবে মৃত্যু তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মহিলার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, খুন করে দেহ জমিতে জড়ো করে রাখা ধানের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। যাতে কারোর নজর না পড়ে। যদিও অন্যান্য দিকগুলিও পুলিশের তরফে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

জানা গিয়েছে, ওই মহিলার নাম ফরিদা বেগম (৪৫)। বাড়ি ধূপগুড়ি মহকুমার পূর্ব আলতাগ্রামের প্রধান পাড়া গ্রামে। স্থানীয় মানুষজন জানাচ্ছেন, প্রত্যেকদিনের মতোই মঙ্গলবার রাতে মাঠে ধান কাটতে গিয়েছিলে বেশ কয়েকজন চাষি। তাঁরাই প্রথমে লক্ষ্য করেন যে, মাঠের এক জায়গায় কেটে রাখা ধান জড়ো করে রাখ হয়েছে। তা দেখেই বেশ কিছুটা সন্দেহ হয়। কেটে রাখা ধান কে এবং কেন জড়ো করে রাখল তা দেখতে যান। অন্ধকারেই স্থানীয় মানুষজন দেখেন, জড়ো করে রাখা ধানের মধ্যে থেকে একটি হাতের মতো কিছু একটা বেরিয়ে আছে। তা দেখে রীতিমত চমকে ওঠেন চাষিরা। সাহস করে ধান সরাতেই তাঁরা দেখেন, সেখানে এক মহিলার রক্তাক্ত দেহ ধান চাপা দিয়ে রাখা!

সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ইতিমধ্যে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের দাবি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই স্পষ্ট হবে কীভাবে এই ঘটনা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *