সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আজ রবিবার (২৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে ফ্রান্স, ব্রিটেন, জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা বৈঠকে বসছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে ওয়াশিংটনের খসড়া শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আলোচনায় যোগ দিতে আজ পৌঁছাবেন। কিছুদিন আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিয়েভকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় দিয়ে বলেছেন—যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ দফা প্রস্তাব মেনে নিতে হবে, যেখানে ইউক্রেনকে কিছু এলাকা ছাড়তে হবে, সামরিক সক্ষমতায় সীমা মানতে হবে এবং ন্যাটোতে যোগদানের লক্ষ্য ত্যাগ করতে হবে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন তারা শেষ দফা বিষয়গুলো গুছিয়ে নিতে চান, তবে জোর দিয়ে বলেছেন—ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মুখোমুখি বসা পর্যন্ত কোনো সমঝোতা চূড়ান্ত হবে না। মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকোল ইতোমধ্যেই জেনেভায় পৌঁছেছেন, এবং ইউক্রেনও তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
ইউরোপীয় দেশগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিকল্পনা আলোচনার ভিত্তি হতে পারে, তবে আরও কাজ প্রয়োজন। প্রস্তাবনায় রাশিয়ার বেশ কিছু দাবিকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের ওপর ভিত্তি করে তৈরি ইউরোপীয় একটি পাল্টা প্রস্তাব কিয়েভ ও ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছে।
আলোচনার আগে জেলেনস্কি সতর্ক করেছেন,অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো চুক্তির চাপ থাকলে ইউক্রেন তার মর্যাদা, স্বাধীনতা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন—সবই হারাতে পারে। মস্কো এই পরিকল্পনাকে সংঘাতের সমাধানের সম্ভাব্য ভিত্তি হিসেবে আখ্যা দিলেও, দখল করা কিছু এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার শর্তে রাশিয়া আপত্তি তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
