একই সাথে দুইটি ব্যালট সরবারহ করবেন নির্বাচন কর্মকর্তা

ছবির উৎস, MD Abu Sufian Jewel/NurPhoto via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বারোই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। ফাইল ফটো

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের প্রায় প্রতিদিনই এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করতে দেখা যাচ্ছে যে, ‘একটি মহল ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারে’ অথবা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হলে মেনে নেওয়া হবে না, প্রতিহত করা হবে।’

বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো রাজনৈতিক দলের প্রধান নেতারাই গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকবার একে অপরকে ইঙ্গিত করে এসব কথা উচ্চারণ করেছেন।

তবে কেবল রাজনৈতিক দলের নেতারাই নয় বরং প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনও গত বছরের মার্চে এক আলোচনা সভায় রাজনৈতিক দলগুলোকে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ ও ‘ভোট–সন্ত্রাসের চেষ্টা’ বা উদ্যোগ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ”ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে আখেরে ভালো হয় না”।

এমনকি বাংলাদেশে সরকারি চাকরির পরীক্ষায় ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে কী বুঝায়?’ এমন প্রশ্নও দেখা গেছে।

কিন্তু এই ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ কী? অতীতের কোন কোন নির্বাচনকে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ এর মতো অভিযোগ ওঠার কারণে বিতর্কিত বলে বিবেচনা করা হয়? আর সেসব অভিযোগগুলোই বা কী কী ছিল?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *