ছবিতে দুই বানরকে চোখ বন্ধ করে পরস্পরের ঠোঁটে চুমু খেতে দেখা যাচ্ছে

ছবির উৎস, Getty

ছবির ক্যাপশান, গবেষকরা চুমুকে সংজ্ঞায়িত করেছেন ঠোঁটের সাথে ঠোঁটের কিংবা মুখের সাথে মুখে স্পর্শ হিসেবে

চুমু— মানুষ, বানর, এমনকি মেরু ভল্লুক, সব প্রাণীই চুমু খায়। আর এখন গবেষকরা চুম্বন বা চুমুর বিবর্তনমূলক উৎপত্তির বিষয়টি নতুন করে তুলে ধরেছেন

তাদের গবেষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে, ২১ মিলিয়ন বা দুই কোটি ১০ লাখ বছরেরও বেশি সময় আগে ঠোঁটের সাথে ঠোঁট লাগিয়ে চুমুর বিকাশ ঘটে। সম্ভবত মানুষ ও ‘এপ’ (বানর) গোত্রীয় অন্যান্য প্রাণীর পূর্বপুরুষদের মধ্যেও তা প্রচলিত ছিল।

একই গবেষণায় আরও জানা গেছে, নিয়ান্ডারথালরাও চুমু খেত—এমনকি মানুষ ও নিয়ান্ডারথালদের মধ্যেও হয়তো চুমুর বিনিময় হতো।

চুমু নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণার কারণ হলো, বিবর্তনের দিক থেকে চিন্তা করলে এটি এক ধরনের ধাঁধা। বেঁচে থাকা বা প্রজননের ক্ষেত্রে এর সুস্পষ্ট কোনো সুবিধা নেই। তবুও এটি কেবল মানব সমাজেই নয়, প্রাণিজগতের মধ্যেও ব্যাপকভাবে দেখা যায়।

ছবিটিতে বেশ কয়েকটি ভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর চুমুর কোলাজ রয়েছে। উপরে বাম দিক থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে: দুটি বানর চুম্বন করছে; দুটি লেমুর তাদের মুখ স্পর্শ করছে; দুটি চিতা একে অপরকে মুখে চুম্বন করছে; একটি ওরাংওটাং অন্য একটিকে গালে চুম্বন করছে; দুটি বানর চোখ বন্ধ করে চুম্বন করছে এবং দুটি জিরাফ একে অপরকে ঠোঁটে চুম্বন করছে।

ছবির উৎস, Getty

ছবির ক্যাপশান, গবেষকরা একাধিক প্রজাতির মধ্যে চুমু খাওয়ার প্রমাণ পেয়েছেন

অন্য প্রাণীদের মধ্যেও চুমু খাওয়ার প্রবণতা দেখে বিজ্ঞানীরা ‘ইভাল্যুশনারি ফ্যামিলি ট্রি’ বা ‘বিবর্তনের বংশতালিকা’ নির্মাণ করেছেন, যেন বোঝা যায় এই আচরণটি কোন সময়ে সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *