পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হল। এবার নোটিস পাঠানো হল বাম আমলের প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়কে। আগামী ২ জানুয়ারি তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। নোটিস হাতে পেয়ে অবাক প্রাক্তন মন্ত্রী ইতিমধ্যেই লিখিত ভাবে কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
এসআইআর শুনানির নোটিস এখন বহু প্রবীণ, অসুস্থ ও বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের হাতে পৌঁছচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে—অনেক বৈধ ভোটারকেই অযথা ডাকা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতৃত্ব এই প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি তুলেছেন। ঠিক সেই সময়েই কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়কে নোটিস পৌঁছনো নিয়ে রাজনীতিতে নতুন চর্চা শুরু হয়েছে।
প্রাক্তন মন্ত্রীর বক্তব্য, “আমি বহু বছর বিধায়ক ও মন্ত্রী ছিলাম। প্রশাসনে বিভিন্ন দায়িত্ব সামলিয়েছি। এনুমারেশনের সময় সব নথি জমা দেয়া হয়েছিল। তবুও কেন হাজিরার নোটিস পাঠানো হল, বুঝতে পারছি না।” কমিশনকে পাঠানো চিঠিতে তিনি নিজের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদগুলির বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন।
যদিও প্রশ্ন তুলেছেন, তবু হাজিরা এড়াবেন না জানিয়েও কান্তিবাবু বলেন, “নির্ধারিত দিন আমি নিজে উপস্থিত হব।”
বাম শাসনের সময়ে সুন্দরবন উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে ছিলেন কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। ক্ষমতা ছাড়ার পরও রায়দিঘি-সুন্দরবনের মানুষের পাশে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতির কারণে স্থানীয়দের মধ্যে এখনও প্রচলিত—“ঝড় আসার আগে কান্তি আসে।”
