পোকারের এক রাজকীয় ফ্লাশ - যার মধ্যে ক্লাবসের টেক্কা, রাজা, রানি, জ্যাক এবং ১০রয়েছে - একটি সবুজ পোকার টেবিলে ১ ডলারের নোট এবং কমলা রঙের চিপ সহ সাজানো।

মোটা অঙ্ক জয়ের আশায় সেলিব্রেটি, পেশাদার ক্রীড়াবিদ ও ধনী জুয়াড়িরা বসেছিলেন টেক্সাস হোল্ড ‘এম পোকারের টেবিলে। কিন্তু তারা জানতেন না, জেতা প্রায় অসম্ভব।

তারা ছিলেন তথাকথিত “ফিশ” যাদের টার্গেট করেছিল মাফিয়া পরিচালিত এক জটিল জুয়ার প্রতারণা চক্র। আর এই প্রতারণায় ব্যবহার করা হয়েছিল এক্স-রে কার্ড টেবিল, গোপন ক্যামেরা, চিপ ট্রেতে লুকানো বিশ্লেষক যন্ত্র এবং এমন সানগ্লাস ও কনট্যাক্ট লেন্স যা তাদের হাতে থাকা কার্ড দেখতে পারত।

ওশানস এলেভেন সিনেমার প্লটের মতো শুনতে এই পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রসিকিউটরদের ভাষায়, “অবুঝ” খেলোয়াড়দের কাছ থেকে অন্তত ৭ মিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নেওয়া হয়, টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৮৫ কোটি পাঁচ লাখ টাকারও বেশি। প্রতি খেলোয়াড় হারান কমপক্ষে ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার বা ২১ কোটি ৯ লাখ টাকা।

মার্কিন প্রসিকিউটররা জানান, বিশাল এক ফেডারেল তদন্তে “হলিউড সিনেমার অনুরূপ” এই প্রতারণা চক্রটি ধ্বংস করা হয়েছে। ৩০ জনেরও বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন লা কোস্ত্রা নোস্ত্রা অপরাধ পরিবারের সদস্যরা, পোর্টল্যান্ড ট্রেইল ব্লেজার্স বাস্কেটবল কোচ চ্যান্সি বিলাপস এবং জাতীয় বাস্কেটবল এসোসিয়েশন – এনবিএ’র সাবেক খেলোয়াড় ডেমন জোন্স।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *