এক মাস রোজা রাখার পর মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে। ছবি- বেইজিং, চীন, জুন ২০১৬

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, এক মাস রোজা রাখার পর মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে। ছবি- বেইজিং, চীন, জুন ২০১৬

পড়ার সময়: ৫ মিনিট

রমজান মাসে মুসলমানরা এক মাস ধরে রোজা পালন করেন। ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি হলো রোজা। তবে ইসলামের আবির্ভাবের আগেও মধ্যপ্রাচ্যে রোজা বা উপবাসের ধারণা প্রচলিত ছিল।

বিবিসি আরবি বিভাগের একটি প্রতিবেদন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ধর্ম ও সভ্যতায় রোজার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হলো।

ফেরাউন বা প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা

প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা থেকেই উপবাসের ধারনা পাওয়া যায় (প্রতীকী ছবি)

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা থেকেই উপবাসের ধারনা পাওয়া যায় (প্রতীকী ছবি)

প্রাচীন মিশরীয়রা দেবতাদের নৈকট্য অর্জন, সন্তুষ্টি লাভ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য নানা আচার-অনুষ্ঠান পালন করতেন। এর মধ্যে উপবাসও ছিল। তারা বসন্ত উৎসব, ফসল উৎসব এবং নীলনদের প্লাবন উৎসব উদযাপন করতেন। এসবের উদ্দেশ্য ছিল আত্মাকে পাপ ও ত্রুটি থেকে শুদ্ধ করা, যাতে দেবতারা অসন্তুষ্ট না হন।

তবে প্রাচীন মিশরীয়দের উপবাসের ধরন নিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক ও গবেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কেউ বলেন, এটি কেবল পুরোহিতদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। আবার কেউ মনে করেন, সাধারণ মানুষও উপবাস পালন করতেন। অন্য কিছু গবেষক আসমানি কিতাবভিত্তিক ধর্মগুলোর রোজার সঙ্গে প্রাচীন মিশরীয়দের উপবাসের সরাসরি কোনো সম্পর্ক খুঁজে পান না।

কিছু গবেষকের মতে, তাদের উপবাস সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত চলত। এই উপবাসের মেয়াদ তিন দিন থেকে ৭০ দিন পর্যন্ত হতে পারত। এ সময় তারা খাদ্য, পানীয় ও যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকতেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *