মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কি এবার পানীয় জলের সংঘাতের দিকে এগোবে?

ছবির উৎস, BBC and Getty Images

ছবির ক্যাপশান, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কি এবার পানীয় জলের সংঘাতের দিকে এগোবে?

প্রাকৃতিক সম্পদ ফুরিয়ে যাওয়া নিয়ে সংঘাতের মতো দুঃস্বপ্নের কাহিনি সিনেমায় বা গল্পে পড়ি আমরা। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের যুদ্ধ যতই নিবিড় হচ্ছে, ততই যেন ওই গল্প বা সিনেমার দৃশ্যগুলোর কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে রূঢ় বাস্তবটা।

এই যুদ্ধটা শুরু হয়েছিল তেলকে কেন্দ্র করে। এই অঞ্চলে বহু দিন ধরে পশ্চিমা হস্তক্ষেপের কারণ হয়ে থেকেছে ওই তেল।

তবে এখন যুদ্ধের পরিধি যত বিস্তৃত হচ্ছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য দেশগুলোও জড়িত হয়ে পড়ছে, এরকম পরিস্থিতিতে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, আরেকটি নাজুক প্রাকৃতিক সম্পদও সংঘাতের কারণ হয়ে উঠতে পারে। তা হলো জল বা পানি।

বিশ্বের মাত্র ২% মিষ্টি পানির সরবরাহ রয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে। তাই সমুদ্রের পানিকে লবণ-মুক্ত করার ওপরেই এই অঞ্চলকে খুব বেশি নির্ভর করতে হয়। জ্বালানি তেল শিল্প ১৯৫০ সালের পর থেকে যত এগিয়ে গেছে, তার সঙ্গেই চাপ পড়েছে মিষ্টি পানির সীমিত সরবরাহের ওপরে।

ফ্রেঞ্চ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস্ জানাচ্ছে, কুয়েতের ৯০% পানি আসে লবণ-মুক্ত করার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। ওমানে ৮৬%, সৌদি আরবে ৭০% আর সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪২% মিষ্টি পানিই ওই প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে আসে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *