ইসলামিক রেভলিউশনারা গার্ডস কোর বা আইআরজিসি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন উৎক্ষেপণের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে

ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর বা আইআরজিসি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন উৎক্ষেপণের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে

যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল বলছে, তাদের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। “তাদের আকাশ-প্রতিরোধী ব্যবস্থা, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী আর নেতৃত্ব কিছুই আর নেই,” মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ’ সামাজিক মাধ্যমে এ কথা লিখেছেন।

মঙ্গলবার, তেসরা মার্চ ওই পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, “ওরা আলোচনায় বসতে চেয়েছিল। আমি বলেছি, অনেক দেরি হয়ে গেছে!”

ইসরায়েল আর অন্য যে-সব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আছে, সেগুলি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে ইরান বলেছে যে, তারা আত্মরক্ষার স্বার্থে ওই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তবে সামরিক দিক থেকে বিচার করলে ইসরায়েল আর যুক্তরাষ্ট্র অনেকটাই এগিয়ে আছে। সেদিক থেকে বিচার করলে এই যুদ্ধে ইরানের সামনে কী কী বিকল্প আছে? তারা কী কৌশল নিচ্ছে?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *