মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিওর স্ক্রিন গ্র্যাবটিতে ডোনাল ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযান সম্পর্কে বিবৃতি দিতে দেখা যাচ্ছে।

ছবির উৎস, Anadolu via Getty Images

ইরানে হামলা চালিয়ে এবং দেশটির শাসন কাঠামোর সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত বড় একটি বাজি ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, আগের প্রেসিডেন্টরা যেখানে ব্যর্থ হয়েছেন, সেখানে মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার করে তিনি মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে রূপ দিতে পারবেন।

যুক্তরাষ্ট্র শুধু আকাশশক্তি ব্যবহার করে যদি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে পারে এবং তেহরানে শাসন পরিবর্তন ঘটাতে পারে, তাহলে ট্রাম্প এটিকে যুগান্তকারী এক জয় হিসেবে দাবি করবেন। যদিও ইরানে ইসলামিক রিপাবলিক-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনের সুস্পষ্ট কোনো পরিকল্পনা চোখে পড়ছে না।

কিন্তু ইরানে অভিযান, পেন্টাগন যার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’, এটা যদি ব্যর্থ হয় বা এমন এক বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেয় যা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা টেনে আনে, তাহলে ট্রাম্পের উত্তরাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার সম্ভাবনাও কমে যেতে পারে।

শনিবার ভোরে ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট দেখিয়ে দেন, এই পদক্ষেপে কত কিছু ঝুঁকিতে রয়েছে।

“আমেরিকান বীরদের আমরা হারাতে পারি,” বলেন ট্রাম্প। তার যুক্তি—১৯৭৯ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে যে শাসনব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়েছে, তাকে চাপের মুখে ফেলতে এই মূল্য চোকানো প্রয়োজনীয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *